শরণখোলায় চেয়ারম্যানের হাতে আ.লীগ নেতা লাঞ্চিত

বাগেরহাটের শরণখোলায় আ,লীগ নেতা ও আলোচিত ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিনের হাতে এবার নিজদলের নেতা লাঞ্চিত হয়েছেন। শনিবার বেলা ১১টার দিকে খোন্তাকাটা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর আকনকে মারপিট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে চেয়ারম্যান বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন আমি নয়, ইউপি সদস্য নাসির মেরেছে সবুরকে। এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
মারপিটের শিকার আব্দুস সবুর আকন বলেন, আমার বাড়িরর সামনের একটি গ্রাম্য রাস্তায় ৪০ দিনের কর্মসূচির মাধ্যমে কাজ চলছে। বেলা ১১টার দিকে বাড়ি থেকে সেখানে যাই। কাজকরা লোকদের বলি আমি রাস্তায় সব জায়গা দিয়েছি। কিন্তু আসলে এত জায়গা রাস্তায় লাগে না। এ কথা বলার সাথে সাথে চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আমার জামার কলার ধরেন এবং তার সাথে থাকা ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য নাসির, রাজ্জাক আকন, নজিব আহমেদ আমাকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা আমাকে ছেড়ে দেয়।
নিজেকে নির্দোষ দাবি করে চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন বলেন, সকালে একটি রাস্তার কাজ চলছিল। কাজ বন্ধ করে দেয়ার জন্য আব্দুস সবুর খোন্তা নিয়ে যায় এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য নাসিরকে একটি থাপ্পর দেয় সবুর। পরে নাসির সবুরকে ২টি থাপ্পর মারে। আমি দুজনকে মারমারির হাত থেকে ছাড়িয়েছি শুধু মাত্র।
এর আগে বৃহস্পতিবার খোন্তাকাটা মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদরাসার শিক্ষক আলী আহমেদকে মারপিট করেন তিনি। ২০১৭ সালের ৯ এপ্রিল গ্রাম্য আদালতে বিচারের নামে এক যুবকের গোপনাঙ্গে ইট বেধে এলাকার বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরিয়ে আলোচনায় আসে এ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন। ঐ মামলাটি এখনও চলমান রয়েছে। যা একাধিক গনমাধ্যমে প্রচার হয়।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে বলেন, মারামারি করলে এলাকায় অসান্তি সৃষ্টি হয়। আমি চাই শান্তিপূর্নভাবে যেভাবে নির্বাচন হয়েছে। সেভাবেই সকলের ভিতরে শান্তি বজায় থাকুক। যারা নিজেদের মধ্যে মারামারি করছেন তাদেরকে শান্ত থাকার আহবান জানান তিনি। যাতে দলের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন না হয়।