বাগেরহাটে অর্থ আত্মসাতের মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তা কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাগেরহাটের অর্থ আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার শেখ মাহফুজুর রহমানকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত। সোমবার দুপুরে আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বাগেরহাটের সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক গোলক চন্দ্র বিশ্বাস জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

মাহফুজ সোনালী ব্যাংক বাগেরহাট শাখার সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং সদর উপজেলার মুক্ষাইট গ্রামের শেখ আনিছুর রহমানের ছেলে।

২০১৫ সালের পহেলা অক্টোবর সোনালী ব্যাংক, ২০১২ সালের ২ আগস্ট থেকে ২০১৫ বছরের ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সোনালী ব্যাংক বাগেরহাট শাখা থেকে ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার ৬শ’ ১০ টাকা আত্মসাৎ করেছে এমন অভিযোগ এনে বাগেরহাট শাখার তৎকালীন ব্যবস্থাপক খান বাবলুর রহমান বাদী হয়ে ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার শেখ মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে বাগেরহাট মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি আমলে নিয়ে দুদক তদন্ত শুরু করেন। প্রায় এক বছর তদন্ত শেষে ৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করেন। এর মধ্যে ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার শেখ মাহফুজুর রহমান, আত্মসাৎকালীন সময়ে দায়িত্বরত ব্যবস্থাপক শেখ মুজিবর রহমান, জুনিয়র অফিসার (ক্যাশ) মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনসহ ১২ জন গ্রাহক রয়েছে। এর মধ্যে লায়লা বেগম নামে একজন গ্রাহক জেলা হাজতে আছে।

দুদকের আইনজীবী এ্যাড. মিলন কুমার ব্যানার্জী বলেন, দীর্ঘ তদন্ত শেষে দুদক ব্যাংকের তিন কর্মকর্তাসহ ১৫জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল করেন। সোমবার প্রধান আসামী শেখ মাহফুজুর রহমানের জামিন আবেদন করলে আদালত না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেছেন। মামলায় আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন এ্যাড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।