বাগেরহাটে বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার ৩, মালামাল উদ্ধার

বাগেরহাটে চুরি করতে এসে ঘরে ঢুকে এক বৃদ্ধাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তিন জনকে গ্রেফতার ও হত্যায় ব্যবহৃত বটি, চাকু এবং লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৭ মার্চ) ভোর রাতে শহরের পূর্বসরুই এলাকা থেকে পুলিশ তাদের আটক করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শহরের দক্ষিন সরুই এলাকার ভাড়াটিয়া মোঃ ইউনুছ তালুকদারের ছেলে মোঃ মিরাজুল ইসলাম পাপন (১৯), একই এলাকার মোঃ বাবুল শেখের ছেলে মোঃ রিয়াজ শেখ (২২) ও তার ভাই মোঃ রিয়াদ শেখ (২০)। এদের সবার স্থায়ী বাড়ি মোরেলগঞ্জ উপজেলার হোবাড়িয়া গ্রামে।
গ্রেফতারকৃতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ হত্যায় ব্যবহৃত একটি বটি, ধারালো চাকু এবং লুন্ঠন করা ২টি স্বর্নের রুলি, ১টি স্বর্নের চেন ও এক জোড়া কানের দুল উদ্ধার করেছে। বুধবার দুপুরে জেলা পুলিশের কনফারেন্স রুমে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় এসব তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এএসআই মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান পিপিএমের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মাহফুজ আফজালের নেতৃত্বে রাতে তিন হত্যাকারীকে আটক করা হয়। তাদের বাড়ি থেকে হত্যায় ব্যবহৃত একটি বটি, ধারালো চাকু এবং লুন্ঠন করা ২টি স্বর্নের রুলি, ১টি স্বর্নের চেন ও এক জোড়া কানের দুল উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার (২১ মার্চ) রাতে নারকেল কেনার কথা বলে বাগেরহাট শহরের পূর্ব সরুই এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী মো. আব্দুর রহিমের বাসায় ঢোকে হত্যাকারীরা। হত্যাকারীদের নারকেল দেওয়ার প্রকৌশলীর স্ত্রী সময় হোসনেয়ারা বেগম (৬০) কে আঘাতকরে এবং স্প্রে দিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে। পরে হোসনেয়ারা বেগমকে তার শোবার রুমে নিয়ে বটি ও ছুড়ি দিয়ে হত্যাকরে। ১৮ মার্চ ওমরা হজ্ব পালন করতে সৌদি আরব গেছেন আব্দুর রহিম। তার তিন ছেলে চাকুরীর সুবাদে কেউই বাড়িতে থাকেন না।