সোনারগাঁয়ের রসালো লিচু এখন বাজারে

আলমগীর হোসেন প্লাবন,সোনারগাঁ (নাঃগঞ্জ)প্রতিনিধি
নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁয়ের রসালো মৌসুমি ফল লিচু বাজারে আসতে শুরু করেছে যাকে প্রকৃতির রসগোল্লা বলা হয়ে থাকে । বাগানের প্রতিটি লিচু বাগানের গাছের ডালে থোকায় থোকায় ঝুলছে কাঁচা পাকা লিচু। সোনারগাঁয়ের লিচু দেশের অন্যসব অঞ্চলের লিচুর আগে বাজারে আসে বলে এ লিচুর প্রতি ক্রেতার আগ্রহ থাকে তুলনামূলক বেশি।
তবে লোক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে কমতে শুরু করছে সোনারগাঁয়ে ঐতিহ্যবাহী লিচু গাছের সংখ্যা।
সোনারগাঁয়ের লিচু আগাম বাজারে আসে বলে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এ লিচুর চাহিদা অনেক বেশী। সুস্বাদু ও সুমিষ্ট হওয়ায় সারাদেশে সোনারগাঁয়ের লিচুর বেশ সুনাম রয়েছে। এরই মধ্যে লিচু চাষীরা স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পাইকারদের কাছে লিচু বিক্রি শুরু করেছেন।বর্তমানে ১শত লিচু ৪০০থেকে ৫০০টাকা ধরে বিক্রি হচ্ছে।
  সোনারগাঁ উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার বিভিন্ন গ্রামে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক লিচু বাগান। এসব লিচু বাগানে গত বছরের তুলনায় এবছর লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় ফনি তেমন একটা প্রভাব ফেলতে না পারায়   এবং  আবহাওয়া ভাল থাকায় মুকুল ঝরে না পড়ায় এবছর আশানুরূপ ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন লিচু বাগান মালিকরা। সোনারগাঁয়ের কদমী, চায়না-৩, মোজাফফর পুরি, এলাচী, বাদামী(পাতি) এ পাচঁ ধরনের লিচুর চাষ হয়ে থাকে ।
তবে অন্যান্য লিচু থেকে বর্তমানে কদমী লিচু চাষের প্রতি মনোযোগী হয়ে পড়ছেন লিচু চাষীরা। সোনারগাঁয়ে সবার আগে বাদামী(পাতি) লিচু পেকে যায়। তাই এ লিচু বিক্রির জন্য গাছ থেকে ছিড়ে ব্যবসায়ীরা সবার আগে বাজারে নিয়ে আসেন। সোনারগাঁয়ে সর্ব প্রথম বাদামী(পাতি) জাতের লিচু ও পরে কদমী জাতের লিচু পেকে থাকে। স্থানীয় মোগরাপাড়া চৌরাস্তা ফলের আড়ৎ ও রাজধানী ঢাকাতে বিক্রি হচ্ছে সোনারগাঁয়ের লিচু। এখন সোনারগাঁয়ের প্রতিটি লিচু বাগানে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে  লিচু পাড়ার কাজ। গাছে গাছে ঝুলছে থোকা থোকা পাকা লিচুু।