বাগেরহাটে কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতা বিক্রেতাদের ভীড়

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাগেরহাটের কোরবানির পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় শুরু হয়েছে। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে পশুর হাট তত জমে উঠছে। শেষ মুহুর্তে পশু ক্রয়ের ভরসা না করে আগে আগেই নিজের পছন্দমত পশু ক্রয় করতে চান তারা। হাটগুলোতে ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। কেউ বলছে বেচা-কেনা ভাল, আবার কেউ বলছে হাটে লোক থাকলেও গরুর দাম বলছে না।
শুক্রবার সকাল থেকেই বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা গরুর হাটে প্রায় তিন হাজার গরু নিয়ে আসনে বিক্রেতারা। ক্রেতাও ছিল চোখে পড়ারমত। অনেকেই পছন্দের গরু ক্রয় করে বাড়ি ফিরছেন। কেউ কেউ ঘুরে ঘুরে গরু দেখছেন। বিক্রেতারা অপেক্ষা করছেন কাঙ্খিত দাবে নিজের পশু বিক্রয়ের।


গরু বিক্রেতা লাবলু মল্লিক বলেন, সকালে নিজের পালিত তিনটি গরু নিয়ে আসছি হাটে। ৭৫ হাজার টাকা একটি গরু বিক্রি করেছি। মনে হচ্ছে বিকেলের মধ্যে বাকি দুটো বিক্রি হয়ে যাবে।
অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী আছে যারা কোরবানিকে পুজি করে গ্রাম থেকে গরু ক্রয় করে নিয়ে এসে বিভিন্ন হাটে বিক্রি করেন। এমন একজন ব্যবসায়ী আব্দুস ছালাম বলেন, যে দামে গরু ক্রয় করেছি। সে অনুযায়ী লাভ করতে পারছি না। ক্যাশ উঠাতেই বাধ্য হয়ে গরু বিক্রি করতে হচ্ছে।
ক্রেতারা জানান, গেল বছরের মতই পশুর দাম রয়েছে। নিজের পছন্দমত গরু ক্রয় করতে পারছি। তবে শেষ মুহুর্তে গরুর দাম কিছুটা কমতেও পারে।
বেতাগা হাটের ইজারাদার আনন্দ দাস বলেন, সারা বছর সপ্তাহে শুক্রবার ও সোমবার দুই দিন আমাদের হাটে পশু ক্রয়-বিক্রয় হয়। কোরবানি উপলক্ষে সোমবারের হাটে প্রায় দুই হাজার গরু বিক্রি হয়েছে। আজকের হাটে প্রায় তিন হাজার গরু এসেছে। আশা করি সকল গরু বিক্রি হয়ে যাবে। ক্রেতা বিক্রেতাদের একটু বেশি সুযোগ সুবিধা ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা প্রদানের ফলে এখানে অনেক দূর-দূরান্ত থেকে গরু বিক্রি করতে আসে মানুষ।