ঈদুল আযহার ছুটিতে বাগেরহাটের বিনোদন কেন্দ্রেগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড়

আলী আকবর টুটুল.
ঈদুল আযহার ছুটিতে বাগেরহাটের বিনোদন কেন্দ্র ও দর্শনীয় স্থানগুলোতে দর্শনার্থীদের ভিড় দেখা গেছে। ঈদের দিন বিকেল থেকে এসব স্থানে দর্শনার্থীরা ভিড় করতে শুরু করেন। তারা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এখানে এসে তারা সবাই আনন্দ করছেন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এসব স্থানে আগামী এক সপ্তাহ দর্শনার্থীদের ভিড় থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে বিভিন্ন রাইডে চড়ে সবাই আনন্দ করছেন। বিনোদন কেন্দ্রে দর্শকদের আকৃষ্ট করতে আনা হয়েছে কুমিরসহ নানা পশুপাখি।
বাগেরহাটের প্রায় ছয়শ বছরের পুরানো হযরত খানজাহানের (রহ.) মাজার ও বিশ^ ঐতিহ্য ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ দেখতে দেশের বিভিন্ন স্থানের দর্শনার্থীরা এখানে বেশি ভিড় করছেন।
এছাড়া সুন্দরবনের করমজল,বাগেরহাট খানজাহান আলী (র.) মাজার, সুন্দরবন রিসোর্ট, পৌর পার্কসহ মনিগঞ্জ ও দড়াটানা সেতু ওপর দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মত। মা-বাবার সাথে আসা শিশুরা বিনোদন কেন্দ্রেগুলোর রাইটে চড়ে আনন্দ উপভোগ করছেন। এবার ঈদে লম্বা ছুটিতে চাকুরিজীবীরা বাড়িতে এসে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন পরিবার ও স্বজনদের সাথে।


দর্শনার্থী সোহেল রানা দম্পত্তি বলেন, ঈদের ছুটিতে ট্রেনসহ বিভিন্ন রাইডে চড়লাম। পশু পাখি দেখলাম। সব মিলিয়ে দারুণ মজা করলাম। তবে প্রাচীনতম স্থাপনা গুলো দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশের এই ঐতিহ্য এগুলো সংরক্ষণ করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই।
ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ হলো প্রাচীন ঐতিহ্য। আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে এটি দেখতে এখানে আসা। এটি দেখে আমরা অভিভূত। তাই ঈদের ছুটিতে পরিবারের সবাইকে নিয়ে এটি দেখতে আসা। এমন স্থান সবার দেখা উচিত বলে মনে করেন ওই দর্শনার্থীরা।
বাগেরহাট প্রতœতত্ত্ব বিভাগের কাস্টোডিয়ান মো. গোলাম ফেরদৌস বলেন, ঈদের ছুটিতে এখানে বিপুল পরিমান দর্শনার্থীদের সমাগম ঘটে। লম্বা ছুটির কারণে এবার দর্শনার্থীদের ভিড় থাকে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তায় পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।