সমুচার মধ্যে স্টাপলারের পিন!

নিজস্ব প্রতিবেদক

সিঙ্গরার মধ্যে আলু ঢুকলো কির করে! সমুচার মধ্যে পেয়াজ এলো কোথা থেকে! এমনই কথা সকলের মুখে মুখে। “সমুচার মধ্যে স্টাপলারের পিন” এমন কথা কেউ কখনও শুনেন নাই, ভাবেনও নেই।তবে বাস্তবে এমনটি ঘটেছে, বাগেরহাট শহরে। বুধবার সকালে বাগেরহাট জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০১৯ পালিত হয়।দিবসের সংবাদ সংগ্রহ করতে সংবাদকর্মী শহিদুল ইসলাম ওই অনুষ্ঠানে যান।অনুষ্ঠান শেষে শহিদুলকে একটি স্নাকসের প্যাকেট দেয় আয়োজকরা।শহিদুল প্যাকেটটি সংঙ্গে নিয়ে অফিসে চলে আসে। অফিসে থাকা সংবাদ কর্মী তানজীম আহমেদকে প্যাকেটে থাকা খাবার গুলো খেতে বলেন।তানজীম প্যাকেট খুলে তার পছন্দের খাবার সমুচা খেতে শুরু করে। প্রথম কামড়  দিয়ে দ্বিতীয় কামড় দিতে সমুচার দিকে তাকালে, চোখ ছানাবড়া দেয় তানজীমের। চোখ মুছে ও ভাল করে তাকিয়ে দেখেন, সমুচার মধ্যে একটি স্টাপলার পিন।কি আর করা আক্ষেপের সাথে সমুচাটি ফেলে দিতে বাধ্য হলেন তানজীম।

সাংবাদিক মোঃ শহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্ব খাদ্য দিবসের অণুষ্ঠান থেকে পাওয়া খাবারের প্যাকেটটি অফিসে এনে তানজীমকে দেই। তানজীম সমুচা খেয়ে যে পরিস্থিতিতে পরেছে এটা সত্যিই লজ্জা জনক।

তানজীম আহমেদ বলেন, একটি সরকারি অনুষ্ঠানে খাবারের মধ্যে বিপদজনক পদার্থ কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না।যে প্রতিষ্ঠান বা দোকানদার খাবার সরবরাহ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ জানাচ্ছি।

নিরাপদ সড়ক চাই, বাগেরহাটের আহবায়ক আলী আকবর টুটুল বলেণ, আমরা বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ। কিন্তু দেশে ভেজাল ও বিদদজনক খাদ্য বৃদ্ধি পেয়েছে।সংশ্লিষ্টদের খাবার তৈরি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তার প্রতি আরও বেশি সচেতন ও আন্তরিক হওয়া প্রয়োজন।

ভিডিও দেখুন