রামপালে মারধরের অভিযোগে আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ

বাগেরহাটের রামপালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা সমাজ সেবক ক্ষিতিন চন্দ্র মিস্ত্রীকে (৫৮) মারধরের অভিযোগ দুই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রতিপাদ সমাবেশ করেছে স্থানীয় সুন্দরপুর গ্রামবাসি। শুক্রবার সকালে সুন্দরপুর গ্রামের কয়েকশত নারী-পুরুষ প্রতিকার চেয়ে সমাবেশের আয়োজন করেন। সমাবেশে বক্তব্য দেন রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ মোঃ আবু সাইদ, বাঁশতলী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মোহাম্মাদ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাওলাদার হাফিজুর রহমান, বাঁশতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাওলাদার আবু তালেব, সাধারণ সম্পাদক কুদরতী এনামুল বাশার বাচ্চু, হাওলাদার হায়দার আলী, হাওলাদার ইস্রাফিল হোসেন, ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি দিপক কুমার মৈত্র, মহিলা লীগ নেত্রী রিনা রানী মৈত্র, ইউপি সদস্য মল্লিক মিজানুর রহমান, ইউপি সদস্য ফকির নজরুল ইসলাম মুক্তসহ আরও অনেকে।
দলীয় নেতারা বক্তব্যে বলেন, নবগঠিত কমিটির সভাপতি হাওলাদার বাকি বিল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক আশ্রাব আলী মল্লিককে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্য তাদের দলীয় পদ স্থগিত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় গিলাতলা বাজারে সিরাজের চায়ের দোকানে বসাছিল উপজেলার সুন্দরপুর গ্রামের সমাজ সেবক ক্ষিতিন চন্দ্র মিস্ত্রী (৫৮)। এসময় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে নবগঠিত ০৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশ্রাব আলী মল্লিক তাকে মারপিট করেন। বিষয়টি তাৎক্ষনিকভাবে শান্তিপূর্ণভাবে মিমাংসা করা হয়। পরে ওইদিন বিকাল ৫ টায় ওই ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হাওলাদার বাকি বিল্লাহ কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ক্ষিতিন মিস্ত্রীকে জুতাপেটা করেন। এনিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২ জনকে আটক করেছে। শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এবিষয়ে জানতে চাইলে হাওলাদার বাকি বিল্লাহ ও আশ্রাব আলী মল্লিক তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন।
রামপাল ওসি মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, আইনশৃংখলা রক্ষায় ওই ঘটনায় ২ জনকে আটক করে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।