বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ফুসফুস সুন্দরবন- অভিনেতা রিয়াজ

মোঃ শহিদুল ইসলাম:
বাংলাদেশের জনপ্রিয় চলচিত্র অভিনেতা রিয়াজ বলেছেন, ‘আমাদের এই সমুদ্রের অববাহিকায় অবস্থিত সুন্দরবন। বাংলাদেশের প্রাকৃতির ফুসফুস সুন্দরবন। সুন্দরবনের চার’শ বছরের দস্যুতার ইতিহাস রয়েছে। তা আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে র‌্যাব যে অসাধ্য-সাধন করেছেন এটা একটা বিশাল ব্যাপার। এখন সুন্দরবন দস্যুমুক্ত। আজ আমরা অপারেশন সুন্দরবন নামের একটি অসাধারন ছবির প্লানিং করতে পেরেছি শুধু সুন্দরবন দস্যু মুক্তির ফলে। চলচিত্রের ক্লান্তিলগ্নে দাড়িয়ে আজ আমার কাছে মনে হচ্ছে এক সময় দস্যুতার সাথে জড়িত এই অন্ধকারের মানুষ গুলো যে ভাবে আলোর পথে এসেছে, ঠিক সেই ভাবে চলচিত্র অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা শুরু করেছে। আমি আজকের অনুষ্ঠানের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষনার বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে ‘ঢাকা এ্যাটাক’ খ্যাত পরিচালক দিপংকর দীপন “অপারেশন সুন্দরবন” নামের নতুন একটি চলচিত্র লোগো ও মোড়ক উন্মোচন করেছেন। ওয়াইল্ড-লাইভ এ্যাকশন থ্রিলার এ মুভিটি র‌্যাব ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সহযোগীতায় যৌথভাবে প্রযোজনা করবে থ্রি হুইলারস লিমিটেড।
গত বছরের জুনে ছবিটি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশের খ্যাতনামা পরিচালক দিপংকর দীপন। আগামী ২০২০ সালের ঈদ-উল-আজহা দিনে ছবিটি মুক্তি পাবে।
অনুষ্ঠানে পরিচালক দিপংকর দীপন মুভিটির সাথে জড়িত চিত্রনায়ক রিয়াজ, নুসরাত ফারিয়া, সিয়াম আহমেদ, জিয়াউল হক রোশান, তাসকিন রহমান,সাকিনা বাসার, দীপু ইমাম, শেখ এহেসানুল রহমান, মনজসহ অপারেশন সুন্দরবন চলচিত্রের সাথে জড়িত সকল শিল্পীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন।
অনুষ্ঠানে পরিচালক দিপংকর দীপন বলেন, “অপারেশন সুন্দরবন” মুভিটির মাধ্যমে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটেলিয়ান (র‌্যাব) এর সুন্দরবনের দু:সাহসিক সব অভিযানের পাশাপাশি সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে তুলে ধরা হয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে এক সময় বনদস্যুদের অবাধ বিচরণ ছিল। যার ফলে সুন্দরবন নিয়ে সাধারণ মানুষের ভয় ছিল। সুন্দরবনের মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য মাছ ধরতে ও মধু সংগ্রহ করতে পারত না। এখন সুন্দরবন দস্যুমুক্ত। র‌্যাবের এই দুঃসাহসিক অভিযানকে উপজীব্য করেই নির্মিত হচ্ছে “অপারেশন সুন্দরবন”।