বুলবুল‘র প্রভাবে বাগেরহাটে বৃষ্টির সাথে বইছে বাতাসও

নিজস্ব প্রতিবেদক

বুলবুল‘র প্রভাবে বাগেরহাটে বৃষ্টির গতি বেড়েছে। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হলেও রাত থেকে বৃষ্টির পরিমান বৃদ্ধি পেতে থাকে। শনিবার (৯ নভেম্বর) সকালে তা প্রবল আকার ধারণ করে। অবিরাম বৃষ্টিতে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে যাচ্ছে না সাধারণ মানুষ। তবে খেটে খাওয়া দিন মজুররা পেটের টানে বেড়িয়েছেন কাজের সন্ধানে।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে বাগেরহাট শহরের প্রেসক্লাব, মিঠাপুকুর ৫পাড়, সাধারণার মোড়সহ বিভিন্ন এলাকা জন মানব শূন্য দেখা যায়। অন্যান্য দিনে এসব জায়গায় থাকে জানকীর্র্ণ। তবে বৃষ্টির লক্ষ দেখে স্থানীয় মানুষ এটাকে সিডরের মতো ভয়াবহ ঝড়ের আবাস মনে করছেন। কেউ কেউ এ ঝড়কে আকারের দিক থেকে সিডরের থেকেও বড় মনে করছেন।

স্থানীয় হিামিদুর রহমান বলেণ, এধরণের বৃষ্টির লক্ষন ভাল না।এমন বৃষ্টি হলে, বড় ধরণের ঝড় হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

এদিকে বুলবুল‘র প্রভাব থেকে সকলকে বাঁচাতে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক মামুনূর রশীদ বলেন, চারটি উপকূলীয় উপজেলা মোরেলগঞ্জ, শরণখোলা, রামপাল ও মোংলার ঝুঁকিপূর্ণ লোকজনকে আজ দুপুরের মধ্যে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার জন্য কাজ চলছে। সুন্দরবনের দুবলার চরের শুঁটকিপল্লির জেলেদের সরানোর জন্য  র‌্যাব, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হয়েছে।

কোস্টগার্ডের পশ্চিম জোনের অপারেশন অফিসার লেফটেন্যান্ট ইমতিয়াজ আলম বলেন, ৫০০ জন জেলেকে আশ্রয়কেন্দ্রে  এনেছি।  অন্য জেলেদের আনার প্রক্রিয়া চলছে। প্রয়োজনে কোস্টগার্ডের নিজস্ব ক্যাম্পে আশ্রয় দেওয়া হবে।