বাগেরহাটে জেলা প্রশাসনের মাঠে বসে অধিগ্রহণকৃত জমির গণশুনানী

আলী আকবর টুটুল. জন ভোগান্তি লাঘবে এবং দালালদের দৌরাত্বের হাত থেকে রক্ষা করতে ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত মালিকদের বাড়ির আঙিনায় গণশুনানি করলেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারী) সকালে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় হোগলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে খুলনা-মোংলা রেললাইন ও খানজাহান আলী বিমানবন্দরের জন্য অধিগ্রহণ করা জমির গণশুনানী করা হয়। বাগেরহাট জেলা প্রশাসন এই প্রথম মাঠে বসে গণশুনানী করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন জমির মালিক ও এলাকাবাসি।
রামপাল উপজেলার হোগলডাঙ্গা গ্রামসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি এলাকার জমির মালিকরা হাজির হন গণশুনানীতে। এসময় বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তারা গণশুনানী পরিচালনা করেন।
পরে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে জমির ১০জন মালিককে খুঁজে বের করেন। পরে অধিগ্রহণের তাদের প্রাপ্ত টাকার চেক তুলে দেয়া হয় তাদের হাতে।
জমির মালিক আনোয়ার হোসেন বলেন, অধিগ্রহনকৃত জমির টাকা আনতে গিয়ে ডিসি অফিসে গনশুশানী হত এবং আমাদের আশা যাওয়ার জন্য টাকা খরচ হতো এতে আমাদের অনেক সময় ব্যয় হতো। আজ আমাদের বাড়ীর পাশেই মাঠে গণশুনানী হয়েছে। আমরা এতে খুশি হয়েছি। এভাবে যদি সরকার আমাদের সমস্যা গুলো মাঠ পর্যায়ে সমাধান করে তাহলে র্দূনীতি ও দালালদের হাত থেকে মুক্ত থাকবো। জেলা প্রশাসনের ব্যাতিক্রম এই উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন বলেন, আগে অধিগ্রহনকৃত জমির মালিকদের ডিসি অফিসে গিয়ে গনশুনানীতে অংশ গ্রহন করতে হত। যার ফলে জমির মালিকদের অর্থ এবং সময় দুটোই নষ্ট হত। আর এ সময় ও অর্থের কথা চিন্তা করে তাদের কষ্ট কোমাতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি।
বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল ইসলাম বলেন, অধিগ্রহনকৃত জমির মালিকদের ভোগান্তি কমাতে এবং দালালদের দৌরাত্বের হাত থেকে রক্ষা করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাড়ী বাড়ী গিয়ে জমির মালিকদের হাতে আমরা ক্ষতি পূরণের চেক পৌছে দিচ্ছি।#