বাগেরহাট প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত, ১৬টি বাড়ি লক ডাউন

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটের চিতলমারীতে জেলার প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় রোগীর বাড়িসহ আশপাশের ১৬ বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ এই নির্দেশ দেন।এর আগে দুপুরে আইইডিসিআর থেকে ওই ব্যক্তির করোনা পজিটিভ এমন রিপোর্ট পাঠানো হয় জেলা স্বাস্থ বিভাগের কাছে। রিপোর্ট পাওয়ার সাথে সাথে জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ, পুলিশ সুপার পংকজ চন্দ্র রায়, সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবিরসহ স্বাস্থ্য বিভাগের একটি মেডিকেল টিম ওই বাড়িতে যায়।ওই রোগীর বাড়ির আর কেউ কোভিড-১৯ সংক্রমিত হয়েছে কিনা তা জানার জন্য বাড়ির সবার নমুনা সংগ্রহ করেন তারা।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, এ পর্যন্ত বাগেরহাটে ৬০জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮ জনের রিপোর্ট আমরা হাতে পেয়েছি। যার মধ্যে একজন রোগীর শরীরে করোনা পজেটিভ এসেছে। তার বাড়ি চিতলমারীতে, বয়স ৩৫ এবং পেশায় মোয়াজ্জিন।

চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মারুফুল আলম বলেন, করোনা আক্রন্ত ওই ব্যক্তি গত ৯ এপ্রিল ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলা থেকে চিতলমারী গ্রামের বাড়িতে আসেন। তিনি ভাঙার একটি মসজিদের মোয়াজ্জিন ছিলেন। তার বয়স ৩৫ বছর। তার শারীরিক অবস্থা ভাল ছিল। কোন করোনা উপসর্গ ছিলনা। জেলার বাইরে থেকে আসায় ১১ এপ্রিল স্বাস্থ্য বিভাগ তার নমুনা সংগ্রহ করে। তার নমুনা পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। বুধবার দুপুরে আইইডিসআর থেকে আসা রিপোর্টে তার শরীরে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি জানতে পারি।আপতত তাকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হবে।

বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো: মামুনুর রশীদ বলেন, করোনা শনাক্ত হওয়ার বিষয় নিশ্চিত হওয়ার পরে পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ আমরা ওই রোগীর বাড়িতে যাই। ওই যুবকের বাড়িসহ আশপাশের ১৬টি বাড়ীটি লকডাউন করার নির্দেশ দিয়েছি। বাগেরহাটের মানুষকে করোনা মুক্ত রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা কর যাচ্ছি বলে মন্তব্য করেন তিনি।