এবারও পর্যটক শূন্য বিশ্বঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ

আলী আকবর টুটুল.বাগেরহাটে এবার ঈদেও পর্যটক শূন্য বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ।করোনা পরিস্থিতির কারণে ঈদুল ফিতরের মত ঈদুল আযহায়ও পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদে। যার ফলে ৬‘শ বছরের অধিকাল সময় ধরে চলে আসা দেশী বিদেশী পর্যটকদের কোন আনা গোনা ছিল না এই ঈদে।অনেকে আবার নিষেধাজ্ঞার বিষয় না জেনে এসে গেট থেকে ফিরে যাচ্ছেন। স্বল্প পরিসরে সকালে ঈদের নামাজ আদায়ের পরে ষাটগম্বুজ ও তার আশপাশের এলাকায় এক ধরনের স্তব্ধতা লক্ষ করা গেছে। বিভিন্ন রাইডস গুলোতে দীর্ঘদিন মানুষের স্পর্শ না থাকায় মরিচা পড়েছে।তবে ষাটগম্বুজ মসজিদ প্রাঙ্গনে নানা প্রজাতির ফুল ফুটেছে। প্রকৃতি যেন নতুন রুপে সেজেছে। তবে দীর্ঘদিন এরকম পর্যটক শূন্য বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে স্থানীয়দের।
স্থানীয় যুবক শহিদুল ও চঞ্চল বলেন, ছোট বেলা থেকেই সব সময় ষাটগম্বুজ মসজিদে পর্যটকদের ভীড় দেখেছি। আজ কয়েক মাস ধরে দেশী বিদেশী পর্যটকদের প্রবেশ নিষেধ থাকায় এখানে কোন লোক আসেন না।ষাটগম্বুজ এখন খালি খালি লাগে। মুসলিম স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শণ ষাটগম্বুজকে এভাবে প্রাণহীণ দেখতে আমাদের আর ভাল লাগে না। স্বাস্থ্য বিধি মেনে পর্যটক প্রবেশাধিকার পূর্বেরমত করে দেওয়ার দাবি জানান তারা।
বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, করোনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে এখানে পর্যটক আসা বাড়িত হচ্ছে। শুধুমাত্র ওয়াক্তিয়া নামাজে সামান্য কিছু মানুষ এখানে আসছেন এবং নামাজ পরে চলে যাচ্ছেন। প্রতিদিন যেখানে হাজার হাজার মানুষ আসত সেখানে। সেই হাজার হাজার মানুষের আবেগ যেন শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় রয়েছেন। আমরা কবে মুক্তি পাব জানি না। তবে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের পদচারণায় আবারু মুখরিত হবে এই প্রাঙ্গন সেটা জানি। আমরা আল্লাহর কাছে সেই প্রার্থনা করি যাতে আল্লাহ দ্রুত এই করোনা সংকট দূর করে দিন।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বাগেরহাট কাষ্টোডিয়ান মো. গোলাম ফেরদাউস বলেণ, করোনার পরিস্তিতিতে কারনে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যটকদের প্রবেশ নিষেধ থাকায় কেউ ষাটগস্বুজে প্রবেশ করতে পারছেন না। আমরা যখন নির্দেশনা পাব তখন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেব।