মোংলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ আহত আহত ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক.বাগেরহাটের মোংলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় তেল ব্যবসায়ী শহিদুল গাজী ও তার দুই শ্যালিকা আহত হয়েছেন। হামলার সময় তারা আহত ওই দুই নারীর শ্লীলতাহানীরও চেষ্টা ও মালামাল লুট করেছে বলে অভিযোগ করেছেন শহিদুলের স্ত্রী মুক্তা বেগম।
মারধরের শিকার আহত ব্যবসায়ী শহিদুল গাজীর স্ত্রী মুক্তা বেগম বলেন, মোংলা পৌর শহরের আঁখি সিনেমা হল সংলগ্ন আমার স্বামীর বাড়িতে আমার দুই বোন শিরিন আক্তার ও নাজমা বেগম বেড়াতে এসেছিল। ৭ নভেম্বর দুপুরে আমার বোন জামাই সুমনের সাথে জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিকের নেতৃত্বে কয়েকজন জোরপূর্বক আমার বোনদের ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় তারা শিরিন ও নাজমার শ্লীলতাহানীর চেষ্টা চালায় এবং মারধর করে। জোরপূর্বক তাদের গলায় থাকা স্বর্ণের চেন ও ঘরের মুল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। শিরিন ও নাজমার ডাক-চিৎকারে শুনে আমার স্বামী শহিদুল গাজী তাদের রক্ষা করতে যায়। এসময় মানিক ও তার সঙ্গীরা আমার স্বামী ও দুইবোনকে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে বেদড়ক মারপিট করে। এতে আমার স্বামী ও বোনদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ সরোয়ার হোসেন, মোঃ ইউছুব, রিনা বেগম ও গোলাম রব্বানী তাদেরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
স্থানীয়রা জানান, মোংলা পৌর শহরের ৫ নং ওয়ার্ডের বিএলএস সড়কের বাসিন্দা মরহুম আঃ সালাম ফকিরের একটি সম্পত্তি নিয়ে তার উত্তরাধিকারগণের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। আঃ সালামের দুই স্ত্রী, ৫ ছেলে ও এক মেয়ে ওই জমি দীর্ঘদিন সমানভাবে ভোগদখল করছেন। তবে ওই সম্পত্তিটি মরহুম সালামের এক স্ত্রী এককভাবে দাবী করায় তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। আর ওই বিরোধকে পুজি করে বিএনপি নেতা মানিক চুক্তির মাধ্যমে শহিদুল ইসলাম গাজীদের উপর হামলা চালায়।
অভিযুক্ত মাহবুবুর রহমান মানিক বলেন, ওই ঘটনার সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই। আমি ষড়যন্ত্রের শিকার বলে দাবী করেন।