শশুর বাড়িতে জামাই হত্যা, আটক তিন

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার চরকাঠি গ্রামে শশুর বাড়ি থেকে জামাইয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজন কে আটক করেছে পুলিশ। এসময় আলামত হিসেবে একটি কালো রংয়ের জিন্সের প্যান্ট, মৃত দেহের সামান্য হাড় ও চুল, নিহত আজিমের ভোটার আইডি কার্ড ও একটি কালো রংয়ের চার্জার লাইট উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হলেন, পাবনা জেলার মিনদাহ গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মোঃ বিপ্লব মোল্লা(২৫) ও তার স্ত্রী রিনা বেগম(২০), এবং আজীমের স্ত্রী রুবিনা বেগমের ভাই উপজেলার চরকাঠি গ্রামের মৃত মোহাম্মাদ তালুকদারের ছেলে মোঃ সালাউদ্দিন তালুকদার (১৪)।

নিহত মোঃ আজিম সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর উপজেলার কাউকান্দি গ্রামের মোঃ মনজুল হকের ছেলে।

রবিবার (২ মে) বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজ আফজালের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম ও এসআই মোস্তাফিজুর রহমানসহ পুলিশ ফোর্স কৌশলে অভিযান চালিয়ে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার শ্রীপুর বাজার থেকে মোঃ বিপ্লব মোল্লা ও তার স্ত্রী রিনা বেগমকে আটক করে। এছাড়া জেলার কচুয়া থানার সাইনবোর্ড বাজার থেকে মোঃ সালাউদ্দিনকে আটক করে।

সোমবার (৩ মে) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক প্রেসব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় এসব তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার পঙ্কজ চন্দ্র রায় বলেন, প্রায় এক বছর আগে চরকাঠি গ্রামের মোহাম্মাদ তালুকদারের মেয়ে রুবিনা বেগম (২২) তার জামাই আজিমকে মেহগুনি গাছের ডাল দিয়ে পিটিয়ে এবং নাখ মুখ চেপে হত্যা করে। পরে বিপ্লব ও রিনা বেগমের সহায়তায় মরদেহ ঘরের পাশে মাটিচাপা দিয়ে রাখে। এই ঘটনায় আমরা তিনজনকে আটক করেছি। এছাড়া জড়িত আজিমের স্ত্রী রুবিনা বেগমকে আটকের চেষ্টা চলছে।

এর আগে ২৯ মে কচুয়া উপজেলার চরকাঠি গ্রামে গ্রামের মৃত মোহাম্মাদ তালুকদারের ঘরের পাশ থেকে তার জামাইয়ের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরের দিন কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ আবুল হাসান ওই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।