ফকিরহাটে চেয়ারম্যানের উপর চেয়ার ছুড়ে মারার চেষ্টার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বাহিরদিয়া-মানসা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির রেজাউল করিমের উপর চেয়ার ছুড়ে মারার চেষ্টা করেছেন ওই পরিষদের নারী সদস্যের স্বামী ফরিদ হোসেন। শনিবার পরিষদের মধ্যে অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে এমন ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এই ঘটনাকে ধামা চাপা দিতে উল্টো চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়েছেন ফরিদ হোসেনের স্ত্রী ইউপি সদস্য মোমেনা বেগম এমন অভিযোগ করেছেন চেয়ারম্যান ফকির রেজাউল করিম।

সোমবার দুপুরে ইউপি চেয়ারম্যান ফকির রেজাউল করিম সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সহিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। ইউপি সদস্য মোমেনা বেগমের স্বামী ফরিদ হোসেন আফজাল হোসেন নামের এক জনৈক ব্যক্তির কাছে টাকা পেতেন। দীর্ঘদিন ধরে টাকা না দেওয়ায় পরিষদে অভিযোগ করেন ফরিদ হোসেন। আফজাল হোসেন পরে শালিস বৈঠকের মাধ্যমে ফরিদ হোসেনের পাওনা টাকা বাজার কমিটির কাছে জমা দেয়। শুক্রবার রাতে ফরিদ আমার সাথে ফোনে খারাপ ব্যবহার করে টাকার জন্য। আমি বাজার কমিটির কাছ থেকে টাকা এনে শনিবার পরিষদে ডেকে আমি ফরিদকে তার পাওনা টাকা বুঝিয়ে দেই। ফরিদকে বলি তুমি টাকা নিয়ে আমার সাথে যে খারাপ ব্যবহার করেছ তা ঠিক করনি। এই বললে ফরিদ আমার উপর চড়াও হয়। আমাকে চেয়ার ছুড়ে মারার চেষ্টা করে এবং গালিগালাজ করে। এসময় পরিষদের থাকা অন্য সদস্যরা ফরিদকে ধরে পরিষদ থেকে বের করে। এই ঘটনায় আমি যাতে কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন না করি সে জন্য ফরিদের স্ত্রী আমার পরিষদের নারী ইউপি সদস্য মোমেনা বেগম বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিচ্ছেন আমার বিরুদ্ধে।

প্রত্যক্ষদর্শী ইউপি সদস্য কহিনুর বেগম ও হাফিজুর রহমান বলেন, পরিষদের মধ্যে ফরিদ হোসেন যে কাজ করেছে আমরা তাতে হতবাক হয়েছি। ফরিদের ছুড়ে মারা চেয়ার আমরা ঠেকিয়ে দিয়েছি। এক পর্যায়ে ফরিদকে পরিষদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। সদস্য মোমেনা বেগমকে কেউ মারধর করেনি। স্বামীকে বাঁচাতে সে এখন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উল্টো অভিযোগ করছেন।