বাগেরহাটে প্রতিপক্ষের হামলায় বৃদ্ধসহ আহত ২, বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটে বাড়ি ঢোকার রাস্তা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় শশুর ও গৃহবধু আহত হয়েছেন। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বাড়ি ঘর ভাংচুর, স্বর্নালঙ্কার ও নগদ অর্থ লুটপাটেরও অভিযোগ করেছেন আহতরা। গতকাল বাগেরহাট সদর উপজেলার পাতিলাখালী গ্রামে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, পাতিলাখালী গ্রামের বৃদ্ধ অধির কুমার পাইক (৬০) এবং তার ছেলে অসীম কুমার পাইকের স্ত্রী লাবনী রানী পাইক (২৫)। এদের মধ্যে অধির পাইক বাগেরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। লাবনী পাইক চিকিৎসা শেষে বাড়িতে ফিরেছেন। এ ঘটনায় আহত অধির কুমার পাইকের স্ত্রী শোভা রানী পাইক বাগেরহাট সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
আহত অধীরের ছেলে অমৃত কুমার পাইক বলেন, ঘটনার দিন বিকেলে আমার বাবা ও ভাইরা বাড়ির সামনে কাজ করছিল। এসময় একই এলাকার অজয় বাউলি, সঞ্জয় বাউলি, বরেণ শিকদার, বিধান শিকদার, গোপি শিকদার, কালু শিকদার, কাকন শিকদারসহ কয়েকজন আমাদের বাড়ির মধ্যে আেেস লাঠি সোটা নিয়ে। কিছু বুঝে না ওঠার আগেই আমার বাবা ও ভাইদেরকে মারধর শুরু করে। এসময় আমার বড় ভাইয়ের স্ত্রী লাবনী রানী পাইক দৌড়ে আসলে তাকেও বেদম মারপিট করে সন্ত্রাসীরা। সন্ত্রাসীদের লাটির আঘাতে আমার বাবার মাথা ফেটে যায় এবং সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এসময় সন্ত্রাসীরা স্ব-দলবলে আমাদের ঘরে ঢুকে ট্রাংকের মধ্যে থাকা নগদ দেড় লক্ষ টাকা ও দুই ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। এছাড়া আমার দুই বৌদি লাবনী রানী পাইক ও ফালগুনী পাইকের গলায় থাকা চেন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে আমরা এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে যাই এবং তারা সুষ্ঠ বিচারের আশ্বাস দেন। দুই দিন পার হয়ে গেলেও কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি এলাকাবাসী।
এদিকে অজয় বাউলি বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন একটি মারামারির ঘটনা ঘটেছে। আমরাও চারজন আহত হয়েছি। এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি।
বাগেরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাহতাব উদ্দিন বলেন, পাতিলাখালী গ্রামে মারামারির ঘটনায় দুই পক্ষ থেকেই অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।