বাগেরহাটে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রার্থীসহ আহত ৬

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও চিতলমারী উপজেলায় পৃথক নির্বাচনী সহিংসতায় ইউপি সদস্য প্রার্থীসহ অন্তত ৬জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বুধবার সকালে চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের কাননচক বাজারে এবং মঙ্গলবার রাতে মোরেলগঞ্জ উপজেলার পঞ্চকরণ ইউনিয়নের পঞ্চকরণ গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে পঞ্চকরণ ইউনিয়নের এক নং ওয়ার্ড প্রার্থী নুরুল আমিন শিকদারের বাড়িতে হামলা চালায় প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী নুরুল হক তালুকদার ও তার সমর্থকরা। এতে প্রার্থী নুরুল আমিন শিকদার (৫৫)গুরুত্বর আহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

আহত নুরুল আমিন শিকদার বলেন, নির্বাচনের শুরু থেকেই আমার প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী নানাভাবে আমাকে হয়রানি করে আসছে। মঙ্গলবার রাতে আমার প্রতিদ্বন্দী প্রার্থী নুরুল হক তালুকদারের নেতৃত্বে ১০-১৫ জন লোক এসে আমার ঘরবাড়ি ভাংচুর শুরু করে। এসময় বাইরে এসে ভাংচুরের কারণ জানতে চাইলে তারা আমাকেও মারধর করেন। আমি নির্বাচনের সুষ্ঠ পরিবেশ চাই।

এদিকে বুধবার বেলা ১১টার দিকে চিতলমারীর কাননচক বাজারে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর হোসেন সিদ্দিকীর কর্মীদের উপর হামলা করেন নৌকা প্রতিকের প্রার্থী বাদশা শেখের সমর্থকরা। এতে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী নাজু শেখ (৪০), তাসেক শেখ(৫০), রুবেল শেখ(৪২) গুরুত্বর আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে গোপালগঞ্জ এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর হোসেন সিদ্দিকী বলেন, বাদশা শেখ এর আগেও আমার ও আমার কর্মীদের উপর হামলা করেছেন। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

এদিকে বাদশা শেখ দাবি করেছেন মারামারির ঘটনায় হাফিজ শেখ (৩৫) এবং আল আমিন শেখ (২০) নামের দুই কর্মী আহত হয়েছেন। তাদেরকে টুঙ্গিপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর শরিফুল হক বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছেছে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ব্যাপারে কোন পক্ষ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি।লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন তিনি।