বাগেরহাটে ভ্যাকসিন নিতে দীর্ঘ লাইন

নিজস্ব প্রতিবেদক.বাগেরহাটে গেল ২৪ ঘন্টায় ৭৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৯৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এটাই একদিনে বাগেরহাটে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। এই সময়ে বাগেরহাট জেলায় করোনা আক্রান্ত দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে একদিনে ১৭৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।সব মিলিয়ে বাগেরহাটে  করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাড়াল ৪ হাজার ৭৬১ জনে। এর মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৩ হাজার ২৫১ জন। মোট মারা গেছেন ১০২ জন। সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১ হাজার ৫১০ জন। সোমবার(১২ জুলাই)দুপুরে বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির এসব তথ্য জানিয়েছেন।

আক্রান্তদের মধ্যে বাগেরহাট সদর উপজেলায় ১৩৩ জন, ফকিরহাটে ২১, মোড়েলগঞ্জে ৩, মোংলায় ১৪, কচুয়ায় ১৫, রামপালে ৪, চিতলমারী ১ এবং শরণখোলায় ৫ জন রয়েছে।

এদিকে সদর হাসপাতালে করোনা ভ্যাকসিন নিতে আসা মানুষের উপচে পড়া ভীড় দেখা গেছে । মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি, দীর্ঘ লাইনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে আছেন নানা বয়সী মানুষ।নারী ও বৃদ্ধরা পড়েছে বিড়ম্বনায়। কেউ কেউ ছাতা নিয়ে, আবার কেউ হাতের ব্যাগ মাথায় দিয়ে দাড়িয়ে আছেন রোদের মধ্যে। ভ্যাকসিন গ্রহিতার ভীড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকরা।

টিকা গ্রহিতারা বলছেন সকাল সাতটা থেকে লাইনে দাড়িয়ে আছি। চার ঘন্টা দাড়িয়েও টিকা দিতে পারিনি। এখানে বসার জায়গা নেই, প্রচুর রোদে দাড়িয়ে আমাদের খুব কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। একটু পানির ব্যবস্থা নেই এখানে। আবার স্বাস্থ্য বিধিও মানছে না কেউ।

বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির যুব প্রধান শরিফুল ইসলাম জুয়েল বলেন, টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর থেকে আমরা এখানে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। প্রতিদিন প্রচুর লোক আসে, আমাদের খুব হিমশিম খেতে হচ্ছে।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, প্রতিদিন ৪০০ মানুষকে টিকা দেওয়ার সক্ষমতা আছে। আমরা চারশ মানুষকেই ম্যাসেজ দিয়েছি। কিন্তু ম্যাসেসজ না পেয়েও কিছু মানুষ ভুলে এসেছে। আমরা তাদের না আসতে অনুৎসাহিত করছি।#