নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিতকরণে ফ্যাক্ট-চেকিং শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছেখুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিস (পিআইডি)‘র আয়োজনে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দিনব্যাপি বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে অনুষ্ঠ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো.বাতেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন খুলনা আঞ্চলিক সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. মেহেদী হাসান।
খুলনা বিভাগীয় উপ প্রধান তথ্য অফিসার এ.এস.এম কবীরের সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য দেন, বাগেরহাট জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মুঈনুল ইসলাম, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসার শারমিন আক্তার রুমা, সহকারী তথ্য অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা ও মো. রমজান আলী, সহকারী পরিচালক বিশ্বজিত শিকদার এবং বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাঈদ শুনু, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসাইন লিটন, সাংবাদিক আজাদ রুহুল আমিন, মো. ইয়ামিন আলী, আলী আকবর টুটুল, এস এম শামসুর রহমান, এস এস শোহান প্রমুখ।
সেমিনারে তথ্য যাচাইয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। সেমিনারে বাগেরহাট জেলায় কর্মরত বিভিন্ন গনমাধ্যমের ৪০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহন করেন।
প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, বর্তমান তথ্য-প্রযুক্তির যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দ্রুত তথ্য ছড়িয়ে পড়ছে। এরমধ্যে অনেক তথ্য বিভ্রান্তিকর ও গুজব নির্ভর হওয়ায় সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি হচ্ছে। ফ্যাক্ট-চেকিং এখন সময়ের দাবি। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের উচিত তথ্যের উৎস যাচাই করা এবং অপতথ্য প্রতিরোধে সক্রিয় ভূমিকা রাখা। তথ্য বিভ্রান্তি রোধে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘যেকোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। সত্য ও নির্ভরযোগ্য তথ্য নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ জনগণকে আরও সচেতন হতে হবে।’
খুলনা বিভাগীয় উপ প্রধান তথ্য অফিসার এ.এস.এম কবীর বলেন, গুজব ও অপতথ্য বর্তমানে সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তথ্যের সত্যতা যাচাই করা এখন শুধু সাংবাদিকদের দায়িত্ব নয় বরং প্রতিটি সচেতন নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব।
সেমিনারে তথ্য যাচাইয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। সেমিনারে বাগেরহাট জেলায় কর্মরত বিভিন্ন গনমাধ্যমের ৪০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহন করেন।