মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
নামে-বেনামে বরাদ্দ নয়, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পিআইসি কমিটি; বাগেরহাটে জেলা পরিষদের শতাধিক প্রতিষ্ঠানে চেক বিতরণ বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর এসি প্রদান জনগণ গণভোটে হা-এর পক্ষে রায় দিয়েছে, বিএনপিকে এটা বাস্তবায়ন করতে হবে-ডা, শফিকুর রহমান ফকিরহাটে জমি দখল ও হামলার ঘটনায় অপরাধ ঢাকতে উল্টো মামলার শিকার পরিবার বঙ্গোপসাগরে ট্রলিং বন্ধের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন মাদক, কিশোর গ্যাং, দুর্নীতি ও বিভিন্ন ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান-আইজিপি  প্রধানমন্ত্রীর মোংলা বন্দর জেটি ও বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন বাগেরহাটে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ,বিক্ষোভ ও মানববন্ধন বাগেরহাটে দুই বছরেও চালু হয়নি ভাগা রেলস্টেশন, ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম  বাগেরহাটে দুই মোটরসাইকেল ও নসিমনের সাথে ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৩ জন নিহত

নামে-বেনামে বরাদ্দ নয়, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পিআইসি কমিটি; বাগেরহাটে জেলা পরিষদের শতাধিক প্রতিষ্ঠানে চেক বিতরণ

রিপোর্টার- / ১৪ পড়া হয়েছে
সময়- সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক. ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজে বাগেরহাটে শতাধিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে চেক বিতরণ করেছে জেলা পরিষদ। পিআইসি কমিটির মাধ্যমে এসব অর্থ দেওয়া হচ্ছে, যাতে বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার ও উন্নয়নকাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া ১৫ জন ব্যক্তিকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়।
সোমবার ( ২ নভেম্বর) দুপুরে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের হাতে চেক তুলে দেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার মো. শেখ জাকির হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু রিয়াদ, প্রকৌশলী শহিদুলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক শেখ জাকির হোসেন
বলেন, অতীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে ও বেনামে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হতো। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেই অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। সরকারি অর্থের অপচয় রোধ এবং উন্নয়নকাজে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠায় এবার পিআইসি কমিটির মাধ্যমে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে-বেনামে জেলা পরিষদ থেকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হতো। এতে সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন ছিল। আমরা প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে পিআইসি কমিটির মাধ্যমে এই উদ্যোগ নিয়েছি। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ। বরাদ্দের অর্থ যেন অপচয় না হয়, সঠিকভাবে উন্নয়নকাজে ব্যয় হয়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।
জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের আশা, এই প্রক্রিয়ায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নকাজে অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি কাজের মান ও জবাবদিহিতাও বাড়বে। তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ