সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে  জলবায়ু ন্যায়বিচার আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে ‘ক্লাইমেট জাস্টিস ফোরাম’ গঠন বাগেরহাটে মতবিরোধে খুন হয় আইনজীবি নিজাম উদ্দিন শান্ত : জড়িত দুই ভাইসহ গ্রেপ্তার ৪ ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগে থানায় সাংবাদিকের জিডি বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের আধুনিক কনফারেন্স কাম এক্সিকিউটিভ রুমের উদ্বোধন বাগেরহাটে আইনজীবি নিজাম উদ্দিন শান্তর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে আদালত বর্জন করে মানববন্ধন  রামপাল খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণে চায়না প্রতিনিধির পরিদর্শন উপকূলের স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়নের আশ্বাস মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেমপ্লেক্সসহ ৩ হাসপাতালে ঝটিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সফর বাগেরহাটের সেই ইকনকে আর্থিক সহযোগিতাসহ এক মাসের ছুটি দিল কৃষি ব্যাংক লবণ অধ্যুষিত উপকূলীয় এলাকার রামপালে সুপেয় পানি সংরক্ষণে পানির ট্যাংক বিতরণ  খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার সহায়তায় সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্যমুল্যে ধান বিক্রি করতে না পারায় কৃষকদের ক্ষোভ  

মোল্লাহাটে ধানের শীষের পরাজয় নিয়ে বিএনপির ‘পোস্ট মর্টেম’ সভা

রিপোর্টার- / ২০২ পড়া হয়েছে
সময়- রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
oppo_0

মোল্লাহাট (বাগেরহাট) প্রতিনিধি. বাগেরহাট ১ আসনের মোল্লাহাটে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের পরাজয়ের কারণ অনুসন্ধানে এক ‘পোস্ট মর্টেম’ সভা করেছে বিএনপি নেতৃবৃন্দ। শনিবার দুপুরে মোল্লাহাট উপজেলার গাড়ফা খাদ্য গুদাম চত্বরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি চৌধুরী সেলিম আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক আহ্বায়ক শিকদার জামাল উদ্দিন। উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ সাহেদ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তারা বলেন, “নির্বাচনে প্রত্যাশিত ফল না পাওয়ার পেছনে বাহ্যিক কারণের চেয়ে অভ্যন্তরীণ বিভক্তিই বেশি দায়ী।” তারা অভিযোগ করেন, দলের একটি পদধারী বড় অংশ নির্বাচনে ‘বেইমানি’ করেছে। ওই অংশ ধানের শীষের পরিবর্তে দাড়ি-পাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়েছে এবং সাধারণ ভোটারদেরও প্রভাবিত করেছে।
সাবেক আহ্বায়ক শিকদার জামাল উদ্দিন বলেন, “যারা দলের পরিচয়ে পদ-পদবি ব্যবহার করে নির্বাচনের সময় অন্য প্রতীকের পক্ষে কাজ করেছে, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। সংগঠনের স্বার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আমরা দ্বিধা করব না।”সভাপতির বক্তব্যে চৌধুরী সেলিম আহমেদ বলেন, “যেসব কেন্দ্রে আমাদের প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মন্ডল বিজয়ী হয়েছেন, সেখানে হিন্দু ভোটার বেশি এবং দলীয় কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। কিন্তু কিছু এলাকায় ভেতরের বিভক্তি ও অসংগঠিত অবস্থার কারণে ফলাফল বিপর্যস্ত হয়েছে।” এছাড়া পদধারী অনেকেই ষড়যন্ত্র তথা বেঈমানির মাধ্যমে ধানের শীষের পরাজয় ঘটিয়েছে।বক্তারা আরও দাবি করেন, দলের একটি অংশ স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেছে এবং নির্বাচনের শেষ দিকে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে দাড়ি-পাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে ধানের শীষের পরাজয় নিশ্চিত করেছে। তারা আরো বলেন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হবে।
সভায় নেতৃবৃন্দ সাংগঠনিক ঐক্য জোরদার, তৃণমূল পর্যায়ে পুনর্গঠন এবং আগামী দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও অভ্যন্তরীণ বিভক্তি দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ