বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সরিয়ে নেওয়া হলো খানজাহান আলী মাজার দিঘির একমাত্র কুমির জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বাগেরহাটে যুবদলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল  বাগেরহাটে মাজারের দীঘিতে  কুমির টেনে নেওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তা আজও দেশের মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক – প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম নাহিয়ান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের  কুরবানির আনন্দ পৌঁছে গেল ৩০০ পরিবারের ঘরে দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযানে ভরসার নাম আব্দুল আলীম শেখ দুর্যোগে প্রস্তুতির বার্তা ছড়িয়ে ঝলমলিয়ায় কোডেকের সাংস্কৃতিক প্রচারণা কোডেক অগ্রযাত্রা প্রকল্পের ফ্রি গাইনি সেবা, চিকিৎসা পেলেন ৮৫ নারী রোগ বাগেরহাট সরকারী পিসি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধের দাবি- খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের 

বাগেরহাটে নিত্যপণ্যের বাজার অস্থিতিশীল,  সবজিতে অস্বস্তি

রিপোর্টার- / ২২৪ পড়া হয়েছে
সময়- মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. সবজি থেকে শুরু করে মাছ-মাংস সবকিছুর দাম যেন আকাশ ছোয়া। পাইকারি আর খুচরা দামে প্রতি কেজিতে ১৫-২০ টাকার পার্থক্য থাকলেও সাধারণ ভোক্তারা পড়েছে বিপাকে। উদাসীন ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সংরক্ষণ  ও প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৩১ সেপ্টেম্বর) সকালে বাগেরহাট শহরের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজি ও নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। ঢেঁড়স কেজি প্রতি ৬০ টাকা, টমেটো ১৪০, গাজর ১৪০, পটল ৭০, কাকরোল ৭০, বরবটি ৭০, মুলা ৬০, ফুলকপি ১৬০, বেগুন ১০০ এবং কাঁচা মরিচ ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাশাপাশি পেপে কেজি ৩০, আমড়া ৪০, কুশি ৫০, কচুরমুখি ৪০, শাকপাতা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি ৩০, লাউ আকারভেদে ৪০-৬০, আর কচু ৬০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।মসলার বাজারেও স্বস্তি নেই। আদা ১৯০ টাকা, চায়না রসুন১৬০ টাকা, দেশি ১১০ টাকা  পেঁয়াজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।মাছের বাজারেও অস্থিরতা।

ইলিশ কেজি আকারভেদে ৭০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, রুই ও কাতল ৩৫০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৫০, খাসির মাংস ১০৫০-১১০০, দেশি মুরগি ৪৫০, আর ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজারেও আগুন—দেশি ডিম হালি ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে ক্রেতা বিক্রেতাদের মাঝে দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া।

বাজার আসা ক্রেতা আলমাস  বলেন, আমাদের সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনের বাজার খরচ আগের চেয়ে দ্বিগুণ। পাইকারি আর খুচরার দামের ফারাকের বোঝা আমাদেরকেই বহন করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে এক সবজি বিক্রেতা হাদি  শেখ বলেন, আমরা জেনেশুনে দাম বাড়াচ্ছি না। পাইকারি আড়ৎ থেকে সবজি আনতেই বেশি দামে কিনতে হয়।

পরিবহন খরচও বেড়েছে।বাজার করতে আসো  রায়হান বলেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে দাম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যেত। ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর যদি সপ্তাহে অন্তত একবার বাজার মনিটর করে, তাহলে শীতের সবজির দাম অর্ধেক হয়ে যেত।

বাগেরহাটের ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সংরক্ষণ সহকারী পরিচালক শরিফা সুলতানা বলেন , আমরা নিয়মিত বাজার তদারকি করছি। তবে ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে দাম নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ