শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে দুই মোটরসাইকেল ও নসিমনের সাথে ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৩ জন নিহত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে নতুন রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট উৎপাদন, যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে বাগেরহাটে সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ ইউপি প্রশাসক বাগেরহাটে জমি দখলের চেষ্টা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ভিডিও নজরে আসতেই দুলিপা পারভীন ও হোসাইনের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন ডা. জুবাইদা রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৮ দিন বন্ধ থাকার পর দ্বিতীয় ইউনিট চালু ​মোড়েলগঞ্জে মাদকসহ ব্যবসায়ী আটক  ​ বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ সুন্দরবনে তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় ফিরেছে প্রান-প্রকৃতি, কমেছে অপরাধ রামপালে রামপালে বাঁধ ভেঙ্গে দুইশতাধিক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত, টেকসই বাঁধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

খুলনা-মোংলা মহাসড়কে দূর্ঘটনা এড়াতে চার লেনের দাবিতে মানববন্ধন

রিপোর্টার- / ৫৬২ পড়া হয়েছে
সময়- রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. খুলনা-মোংলা মহাসড়কে দূর্ঘটনা এড়াতে এবং চার লেনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির এনসিপি। রবিবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টি রামপাল উপজেলা শাখার ব্যানারে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের ফয়লাহাট মোড়ে  ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে “প্রেসক্লাব রামপাল” এর নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্যে দেন রামপাল উপজেলা এনসিপির সমন্বয়ক মো. মাজিদুর রহমান জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক গাজী সাকিব, প্রেসক্লাব রামপাল এর সভাপতি এম, এ সবুর রানা, উপজেলা এনসিপি সদস্য সিরাজুল ইসলাম, সোহান শেখ, বাইনতলা ইউনিয়নের আহবায়ক সোলাইমান, উজলকুড় ইউনিয়নে আহবায়ক মিরাজুল ইসলাম, গৌরম্ভা ইউনিয়নের আহবায়ক ইবাদুল ইসলাম, রামপাল সদর ইউনিয়নের সদস্য সচিব মামুন সরদারসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনায় তাজা প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। খুলনা–মোংলা মহাসড়কে এখন জনদুর্ভোগের পাশাপাশি জননিরাপত্তার বড় হুমকিতে পরিণত হয়েছে।তারা অবিলম্বে মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করা, দুর্ঘটনা রোধে সড়কে কার্যকর নজরদারি বৃদ্ধি এবং রাতের সময় ভারী যানবাহন চলাচল করার দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, খুলনা-মোংলা মহাসড়কে থ্রি-হুইলার, নসিমন, করিমন, মাহিন্দ্রা, অটোভ্যানসহ সব অননুমোদিত যানবাহন চলাচল বন্ধ করতে হবে।রোডস্ অ্যান্ড হাইওয়ে পুলিশ এবং সড়ক বিভাগের কোনো দৃশ্যমান তৎপরতা না থাকায় মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে অব্যবস্থাপনা ও দখলদারিত্ব বেড়েছে। তারা দাবি করেন, রাস্তার দুই পাশের সরকারি জায়গা উদ্ধার, অবৈধ বাসস্ট্যান্ডগুলো অপসারণ, রাতে সোলার স্ট্রিটলাইট স্থাপন, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের গাড়ির বেপরোয়া গতি নিয়ন্ত্রণ, মোংলা বন্দর ও ইপিজেড এলাকার ফিটনেসবিহীন ট্রাক চলাচল বন্ধ এবং ২৭ টনের ভার বহন ক্ষমতার বাইরে কোন ভারী যানবাহন চলাচল সীমিত করতে হবে।এ ছাড়াও বক্তারা দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আহ্বান জানান এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের কাছে মহাসড়ক নিরাপদ করার দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার অনুরোধ জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ