মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ব্যবসায়ীদের উন্নয়ন হয় অর্থে, আর সাংবাদিকদের উন্নয়ন হয় অনুসন্ধ্যানে-বাগেরহাটে মন্ত্রী রবিউল আলম বাগেরহাটে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদযাপিত বাগেরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকীতে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টের অর্থ বিতরণ বাগেরহাটে বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বসবাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যাওয়াই আমাদের মূল অঙ্গীকার রামপালে সকল সরকারি খাল দখলমুক্ত দাবিতে যুবদলসহ উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে দুস্থ, অসহায়, অসুস্থ, প্রতিবন্ধী ও গৃহহীন ব্যক্তির মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ নৌপরিবহন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়ার অভিযোগ,তদন্তের দাবি বাগেরহাটে পলি ও দবির উদ্দিন মেমোরিয়াল ক্লিনিকে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি

ব্যবসায়ীদের উন্নয়ন হয় অর্থে, আর সাংবাদিকদের উন্নয়ন হয় অনুসন্ধ্যানে-বাগেরহাটে মন্ত্রী রবিউল আলম

রিপোর্টার- / ৩ পড়া হয়েছে
সময়- সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক. সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, জ্বালানি নিয়ে একটা সংকট বিগত সরকার করেছিল। তার একটা নেতিবাচক প্রভাব আপনারা দেখতে পাচ্ছেন। সংকট উত্তরণে স্বল্প মেয়াদী, মধ্য মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। আশা করছি এই সমস্যার সমাধান হবে। কিন্তু রাতারাতি নয়, একটু সময় সাপেক্ষ হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, চিটাগংয়ে দুটি এফআরএসইউ (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) আছে, তার একটা মোংলা হওয়া ন্যায্য। সেটি হলে দক্ষিনাঞ্চলসহ এই তিনটি বিভাগের জ্বলানি নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। আমরা আকরাম পয়েন্টসহ সংশ্লিষ্ট এলাকা নাব্যতা ও অন্যান্য বাস্তবিক অবজারবেশন করা হয়েছে। আমরা ফআরএসইউ স্থাপনের করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, মোংলা পোর্টকে উন্নয়নের জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বন্দর এলাকায় একটি অর্থনৈতিক জোন হবে, যা চায়না কোম্পানি করবে। তা হলে ৮৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে মোংলা পোর্ট চ্যানেলের নাব্যতা সব সময় ১২ মিটার রাখতে চাই। তাহলে মোদার ভ্যাসেল ও বড় জাহাজগুলো এখানে আসা সম্ভব। একটা পোর্ট হিসেবে মোংলা বন্দর শুধু অর্থনীতিতে ৫-৬ শতাংশ ভূমিকা রাখছে। এটাকে ইচ্ছে করলেই ৩০-৩৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনুর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মনজুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিষ্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হেদায়েত হোসেন লিটন প্রমুখ।
গনমাধ্যমকর্মী সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক জায়গায় যেমন বিচ্যুতি হয়েছে। তেমন সাংবাদিকদের মধ্যেও হয়েছে। এই জায়গায় আমাদের সতর্ক হতে হবে। ইদানিয় আমার কাছে মনে হচ্ছে সাংবাদিক যেভাবে বিস্তৃত হচ্ছে তা হয়ত রাষ্ট্রবান্ধব হবে না। এই জায়গায় আরও বেশি সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। সাংবাদিকদের উন্নয়ন অর্থবিত্তে ও সম্পদে নয়, সাংভাদিকদের উন্নয়ন হবে মননে। ব্যবসায়ীদের উন্নয়ন হয় অর্থে, টেকনোলজির উন্নয়ন হয় বিজ্ঞানে, আর সাংবাদিকদের উন্নয়ন হয় অনুসন্ধ্যানে।
এর আগে দুপুরে বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায় দশানী-রামপাল-মোংলা জেলা মহাসড়কের দশানী থেকে গিলাতলা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়ক পুননির্মাণ ও সংস্কার কাজের উদ্ধোধন করেন মন্ত্রী। এসময়, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আব্দুল আলিম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন, পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার, বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সড়ক বিভাগ বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল ইসলামসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।নামফলক উন্মোচন শেষে কাজের সফলতা কামনা করে নিজেই মোনাজাত করেন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।


তিনি বলেন, এই সড়কটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ, কাজ শুরু হয়েছে, আশাকরি খুব ভালভাবে লাজ শেষ হবে। এছাড়া বাগেরহাটে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সড়ক রয়েছে, পর্যায়ক্রমে সকল সড়কের কাজ করা হবে। সরকার জনগণের উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।
বাগেরহাট দশানী রামপাল মোংলা পর্যন্ত ৩৪ কিলোমিটার সড়কের কাজ ৪ টি প্যাকেজে ২০২১ সালে শুরু হয়। দশানী থেকে হেলাতলা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সরকের কাজ ঠিকাদারির গাফিলতীতে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। সম্প্রতি পুরনো ঠিকাদারের কার্যাদেশ বাতিল করে নতুন ঠিকাদার নিয়োগ দিয়েছে সড়ক বিভাগ। মাফুজ খান লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ৭২ কোটি ৯৮ লক্ষ টাকায় এই কাজ করছেন। ২০২৭ সালের জুন মাসে কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

বিকেলে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বিএনপির নেতাকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করেন মন্ত্রী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ