শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রেলের ক্যাটারিং সার্ভিসকর্মী হৃদয় অর্থসহ স্বর্ণালংকার নিয়ে লাপাত্তা  বাগেরহাটে ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল মিডিয়া লিটারেসি বিষয়ে কর্মশালা বাগেরহাটে ১৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বাগেরহাটে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৮ হাজার ১ জন  অংশগ্রহণ ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিরোধ: মোল্লাহাটে মরদেহের দাফন-সৎকার নিয়ে উত্তেজনা রামপালে খাস জমি দখল ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রামপালে মানববন্ধন মল্লিকেরবেড়ে এন. আমিন হেলথ জোন অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারের উদ্বোধন ২০ এপ্রিল থেকে বাগেরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু  খানজাহান আলী মাজারের কুমির-কুকুর কান্ড : কুকুরটি জলাতঙ্ক সংক্রামন ছিল   বাগেরহাটের জেলা বিএনপির উদ্যোগে বর্ষবরণ ও আনন্দ র‌্যালী

উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের প্রস্তাব, ৭ দলের নোট অব ডিসেন্ট

রিপোর্টার- / ২১৭ পড়া হয়েছে
সময়- বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক ,  জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ এর চূড়ান্ত সনদে উচ্চকক্ষে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের প্রস্তাব করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। ২৪টি রাজনৈতিক দল জোট একমত হলেও বিএনপিসহ ৭টি রাজনৈতিক দলের নোট অব ডিসেন্ট রয়েছেমঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ চূড়ান্ত সনদ পাঠালে এসব বিষয় দেখা যায়। সনদে আইনসভা গঠন সম্পর্কে বলা হয়, সংবিধান এরূপ যুক্ত করা হবে যে, বাংলাদেশের একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা থাকবে। যার নিম্নকক্ষ (জাতীয় সংসদ) এবং উচ্চকক্ষ (সিনেট) সমন্বয়ে গঠিত হবে। কমিশনের এই প্রস্তাবে ২৫টি রাজনৈতিক দল ও জোট একমত হয়েছে। তবে পাঁচটি রাজনৈতিক দলের নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো হলো— আমজনতার দল, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশে সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ ও লিবারেল ডেমোক্রেট (এলডিপি)। আর্থিক, সামাজিক বাস্তবতায় এ মুহূর্তে উচ্চকক্ষের প্রয়োজন নেই বলে তারা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন।

উচ্চকক্ষ গঠন নিয়ে সনদে বলা হয়, নিম্নকক্ষের নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষকে ১০০ জন সদস্য নির্বাচিত হবেন বলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই প্রস্তাবে ২৪টি রাজনৈতিক দল একমত হলেও বিএনপিসহ সাতটি রাজনৈতিক দল ও জোট নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। দলগুলোর হলো— ১২ দলীয় জোট, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টি (বিএসপি) ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। উচ্চকক্ষে গঠন প্রক্রিয়া নিয়ে এসব রাজনৈতিক দলগুলোর ভিন্নমত আছে। নিম্নকক্ষে আসনের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠিত হবে। আবার কেউ কেউ এই মুহূর্তে উচ্চকক্ষের প্রয়োজন নেই বলেও দাবি করেছেন।

 

সনদে আরও বলা হয়, উচ্চকক্ষের মেয়াদ হবে শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে পাঁচ বছর। তবে কোনো কারণে নিম্নকক্ষ ভেঙে গেলে উচ্চকক্ষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর নিম্নকক্ষে সাধারণ নির্বাচনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় একই সঙ্গে উচ্চকক্ষের প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করবে। তালিকা কমপক্ষে ১০ শতাংশ নারী প্রার্থী থাকতে হবে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাবেও একাধিক রাজনৈতিক দলের নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ