বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার সহায়তায় সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্যমুল্যে ধান বিক্রি করতে না পারায় কৃষকদের ক্ষোভ   শরণখোলা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম লাল আর নেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে-ডেপুটি স্পিকার ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল বাগেরহাট কৃষকদল নেতা বাদলসহ গণতন্ত্র পূর্ন প্রতিষ্ঠার জন্য যারা হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে, প্রত্যেকটার বিচার বাংলার মাটিতে হবে–জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল   সুন্দরবনে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জন আত্মসমর্পন সুস্থ হয়ে ৬ মাস পর ফিরেছে সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার আমাদের জীবনের সাথে গাছের সম্পর্ক ওতপ্রোতভাবে জড়িত- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু প্রতিমন্ত্রী ড.শেখ ফরিদুল খুলনা বিভাগের ৭০ জন সাংবাদিকের মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ বাগেরহাটে নানা আয়োজনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা সভা  বাগেরহাটে স্কুল ফিডিংয়ের ডিম খেয়ে প্রাথমিকের ১১ শিক্ষার্থী অসুস্থ্য

রামপালের কৈগরদাসকাটি এলাকার ৪৫ বসতঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত 

রিপোর্টার- / ২২৭ পড়া হয়েছে
সময়- শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রামপাল প্রতিনিধি. রামপাল উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের কৈগর্দ্দাশকাটি চর এলাকার ৪৫  টি বাড়িঘর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। দিন ও রাতে দুইবার প্লাবিত হয়ে বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় জনদূর্ভোগে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। এতে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার গৌরম্ভা ইউনিয়নের দূর্গম চরাঞ্চল কৈগর্দাসকাটি গ্রাম। ওই এলাকায় প্রায় ৬/৭ শতাধিক পরিবারের সদস্যরা বসবাস করে আসছেন। এর মধ্যে প্রায় ৫০ টি পরিবারের বাড়িঘরের বাইরে নিরাপত্তা বেষ্টনী বা বেড়িবাঁধ না থাকায় অমাবস্যা ও পূর্ণিমার গোনের সময় অতিরিক্ত জোয়ারে বাড়িঘর তলিয়ে যাচ্ছে। এতে ধান চাষ, মাছ চাষ, গবাদিপশু পালন, রান্না করা ও বসবাস করা দূরহ হয়ে পড়েছে। শিশুদের লেখাপড়া ও স্কুলে যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
চুলাতে পানি উঠে যাওয়ায় রান্না বন্ধ হয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করছে তারা। প্রায় দুই কিলোমিটার জুড়ে জোয়ারের পানিতে ডুবে যাওয়ায় ফসলের মাঠ তলিয়ে আমন ধানের চারার ক্ষতি হচ্ছে। সুপেয় পানির কোন ব্যাবস্থা না থাকায় ৪ কিলোমিটার দূর থেকে পায়ে হেঁটে খাবার পানি আনতে হয়। কাছাকাছি কোন টিউবওয়েল বা পানি সরবরাহের ব্যাবস্থা না থাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তাদের জীবন যাপন করতে হচ্ছে। তাছাড়া কাছে কোথাও স্কুলও নেই। যারা স্কুলে যায় তাদের কষ্ট করে যাতায়াত করতে হয়। কেউ অসুস্থ হলে আরো বেশী ভোগান্তি পোহাতে হয়। চলাচলের জন্য এক পায়ের পথটিও জোয়ারের পানিতে তলিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দিনের পর দিন ছোট ছোট ছেলে মেয়ে নিয়ে অনেক কষ্টে তাদের দিন কাটছে। কোন কোন পরিবারের সদস্যদের রাতে ঘুমানোর ও জায়গা টুকুও নেই। কিছু শুকনো খাবার আর নদীর জোয়ারের পানি পান করে তাদের দিন কাটছে। এরা মূলতঃ সবাই ভুমিহীন। সরকারি চরভরাটি খাস জমিতে তারা বিভিন্ন স্থান থেকে এসে বসবাস করেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোর মত কেউ নেই। খুব অসহায় অবস্থায় তাদের দিন কাটছে। ওই চর এলাকায় প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা সরকারি খাস জমি দখল করে মাছ ও ধান চাষ করে আসছে। খোঁজখবর নিয়ে আরো জানা যায়, ওই সরকারের সময়ে কতিপয় নেতা নামধারী ভূমিদস্যুরা প্রভাব খাটিয়ে নামে-বেনামে খাস জমি দখল করে মাছ চাষ করে আসছেন। এ ছাড়াও তারা খাস জমি দখলে নিয়ে প্লট আকারে বিক্রিও করছে। প্রশাসনের নজরদারীর অভাবে চর ভরাটি হাজার হাজার একর জমি প্রভাবশালীরা গিলে ফেলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ