মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সরিয়ে নেওয়া হলো খানজাহান আলী মাজার দিঘির একমাত্র কুমির জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বাগেরহাটে যুবদলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল  বাগেরহাটে মাজারের দীঘিতে  কুমির টেনে নেওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তা আজও দেশের মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক – প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম নাহিয়ান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের  কুরবানির আনন্দ পৌঁছে গেল ৩০০ পরিবারের ঘরে দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযানে ভরসার নাম আব্দুল আলীম শেখ দুর্যোগে প্রস্তুতির বার্তা ছড়িয়ে ঝলমলিয়ায় কোডেকের সাংস্কৃতিক প্রচারণা কোডেক অগ্রযাত্রা প্রকল্পের ফ্রি গাইনি সেবা, চিকিৎসা পেলেন ৮৫ নারী রোগ বাগেরহাট সরকারী পিসি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধের দাবি- খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের 

সুন্দরবনের দুবলারচরে পুণ্যার্থীদের যাত্রা শুরু

রিপোর্টার- / ৩৯০ পড়া হয়েছে
সময়- সোমবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. সুন্দরবনের দুবলারচরে শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক উৎসব রাসপূর্ণিমা পূজা ও পুণ্যস্নান। রাসপূর্ণিমা পূজা উপলক্ষ সোমবার (৩ নভেম্বর) সকাল ৮টার দিকে চাঁদপাই ও ঢাংমারী স্টেশন থেকে বন বিভাগের স্কট টিমের সঙ্গে পুণ্যার্থীদের যাত্রা শুরু হয়েছে। বন বিভাগ জানিয়েছে, এবছর শুধুমাত্র সনাতন ধর্মাবলম্বী তীর্থযাত্রীদের যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে বিভিন্ন কৌশলে যাচ্ছে ভিন্ন ধর্মাবলম্বী।

পর্যটকদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং কোনো ধরনের মেলা আয়োজন করা হবে না। রাসপূর্ণিমা পূজা ও পুণ্যস্নান চলবে ৫ নভেম্বর পর্যন্ত।

সুন্দরবনের পরিবেশ, বন্যপ্রাণী এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বন বিভাগ, পুলিশ, কোস্টগার্ড ও বিজিবির যৌথ টহল দল বনে মোতায়েন রয়েছে। বিশেষ করে হরিণ শিকার ও অবৈধ প্রবেশ রোধে বনবিভাগ এবার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, “আজ সকাল ৮টায় চাঁদপাই ও ঢাংমারী স্টেশন থেকে পুণ্যার্থীগণ স্কট সহযোগে দুবলারচরের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন। এই প্রথমবার স্কট সহযোগে যাত্রা শুরু হলো। এর মূল উদ্দেশ্য হলো পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কেউ যেন বনে ঢুকে হরিণ শিকারের সুযোগ না পায়।”বন বিভাগের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, তীর্থযাত্রীদের শুধুমাত্র দিনের বেলাতেই নৌযান চলাচল করতে হবে এবং নির্ধারিত চেকপোস্ট ছাড়া কোথাও নোঙর করা যাবে না। প্রতিটি নৌযানে লাইফ জ্যাকেট বা বয়া রাখা বাধ্যতামূলক। তীর্থযাত্রীদের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংযুক্ত করে আগাম অনুমতি নিতে হবে। অনুমতিপত্রে নির্ধারিত রুট ও সিলমোহর থাকতে হবে এবং প্রতিটি নৌযানকে আলোরকোল কন্ট্রোল রুমে রিপোর্ট করতে হবে।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর রাসপূর্ণিমা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো তীর্থযাত্রী দুবলারচরে সমবেত হন। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে এবছরও বন বিভাগ কঠোর নজরদারি রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ