মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে কাঠ বোঝাই ট্রলির ধাক্কায় ব্যাটারি চালিত ভ্যানচালক নিহত, আহত ৪ বাগেরহাট শহরের মুক্তিযোদ্ধা নিক্সন মার্কেটে  আগুনে পুড়ে গেছে ১৩ টি দোকান নির্বাচনে নিরাপত্তা নিশ্চিতে বাগেরহাটে আনসারদের প্রস্তুতিমূলক সমাবেশ, দায়িত্বে ৭ হাজার ১১১ সদস্য মা-বোনদের হেনস্থা করার মত আচরণ করলে, ছাড় দেওয়া হবে না-জামায়াত প্রার্থী রাহাদ জয়ী হলে শান্তির জনপদ হবে রামপাল-জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ যারা অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ দখল করবে বা মামলা বাণিজ্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে–এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বাগেরহাটে হাতপাখা প্রতিকের মিছিল ও সমাবেশ সারাদেশে নারীদের হেনস্তার প্রতিবাদে বাগেরহাটে বিক্ষোভ মিছিল সুন্দরবন ডাকাতমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি বাগেরহাট–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দের ঐক্যবদ্ধ হলে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা সম্ভব–সোমনাথ দে

বাগেরহাটে জামায়াত ইসলামের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণ

রিপোর্টার- / ২০০ পড়া হয়েছে
সময়- শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটে জামায়াত ইসলামের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রামরক্ষা বাঁধ নির্মাণকরা হয়েছে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকালে বাগেরহাট সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের ভৈরব নদীর পাড়ে বাগদিয়া গ্রামে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করে জামায়াত ইসলামের শতাধিক কর্মী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদরের বাগদিয়া গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার গ্রামরক্ষাবাধ নদীর ভাঙন ও জোয়ারের পানির দুর্ভোগ থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষা করতে দীর্ঘদিন ধরে বাঁধ নির্মাণের দাবি ছিল। কিন্তু সরকারী ভাবে কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় জামায়াতের কর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রমে নদীর পাড়ে গ্রামরক্ষাবাধ নির্মান করেন। স্বেচ্ছাশ্রম কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন বাগেরহাট সদর উপজেলা জামায়াত ইসলামের সেক্রেটারি মোহাম্মদ লিয়াকত আলী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট সদর উপজেলা জামায়াতের আমির ডাঃ মাওলানা ফেরদৌস আলী, বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের জামায়াত ইসলামের আমির মোহাম্মদ সাইদুর রহমান, ইউনিয়ন সভাপতি দিদারুল ইসলাম, বারুইপাড়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড সভাপতি মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, ১নং ওয়ার্ড সভাপতি মোহাম্মদ বদিউজ্জামান সিকদার, জামায়াত নেতা শেখ নজরুল ইসলাম ও মোঃ কালিমুল্লাহ প্রমুখ।

বাগেরহাটে সদর উপজেলা জামায়াত ইসলামের আমির ডাঃ মাওলানা ফেরদৌস আলী বলেন,“মানুষের দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানো আমাদের ঈমানী ও সামাজিক দায়িত্ব। ভৈরব নদীর ভাঙনে বহু পরিবার , শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান , মসজিদসহ নানা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। সে কারণেই দলমত–নির্বিশেষে এলাকাবাসীর কল্যাণে স্বেচ্ছাশ্রমের উদ্যোগ নিয়েছি। এর আগে পানিঘাট ও চাপাতলা এলাকার তিন কিলোমিটার বাধ নির্মান করে দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত থাকবে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ