ই-টিকিটিং সেবার মাধ্যমে আধুনিক ব্যবস্থাপনায় দর্শনার্থীদের প্রবেশ আরও সহজ হবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।
উদ্বোধন শেষে বিশেষ সরকারি ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, ই-টিকিটিং সেবা চালুর মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সময় বাঁচবে এবং ভোগান্তি কমবে। এটি পর্যটন ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বাগেরহাটের পযটন শিল্পের বিকাশে ষাটগম্বুজ মসজিদসহ প্রাচিন আমলের যেসব স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো যে স্থাপত্যশৈলীর, বাগেরহাটের অন্যান্য স্থাপনাগুলোও সেই স্থাপত্য শৈলিতে নির্মান করা গেলে বাগেরহাটের পর্যটন শিল্পে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।
তিনি আরও বলেন, ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার পর্যটকদের আকৃষ্ট করবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যটনের ক্ষেত্রেও বাগেরহাট নতুনভাবে পরিচিতি পাবে।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম, বিশ্ব ঐতিহ্য এই স্থাপনাগুলোকে আরও দর্শনার্থীবান্ধব করতে সরকার কাজ করছে। ই-টিকিটিং সেবার মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও সেবার মান বাড়বে। আশা করি প্রতি বছর প্রতি বছর দেশ-বিদেশের হাজারো পর্যটক বাড়বে