রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
রামপাল খানজাহান আলী বিমানবন্দর নির্মাণে চায়না প্রতিনিধির পরিদর্শন উপকূলের স্বাস্থ্য সেবায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদায়নের আশ্বাস মোরেলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কেমপ্লেক্সসহ ৩ হাসপাতালে ঝটিকা স্বাস্থ্য মন্ত্রীর সফর বাগেরহাটের সেই ইকনকে আর্থিক সহযোগিতাসহ এক মাসের ছুটি দিল কৃষি ব্যাংক লবণ অধ্যুষিত উপকূলীয় এলাকার রামপালে সুপেয় পানি সংরক্ষণে পানির ট্যাংক বিতরণ  খাদ্য গুদাম কর্মকর্তার সহায়তায় সিন্ডিকেটের কারণে ন্যায্যমুল্যে ধান বিক্রি করতে না পারায় কৃষকদের ক্ষোভ   শরণখোলা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম লাল আর নেই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে-ডেপুটি স্পিকার ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল বাগেরহাট কৃষকদল নেতা বাদলসহ গণতন্ত্র পূর্ন প্রতিষ্ঠার জন্য যারা হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে, প্রত্যেকটার বিচার বাংলার মাটিতে হবে–জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল   সুন্দরবনে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর প্রধানসহ ২৭ জন আত্মসমর্পন সুস্থ হয়ে ৬ মাস পর ফিরেছে সুন্দরবনে রয়েল বেঙ্গল টাইগার

দুর্যোগে প্রস্তুতির বার্তা ছড়িয়ে ঝলমলিয়ায় কোডেকের সাংস্কৃতিক প্রচারণা

রিপোর্টার- / ১৩৯ পড়া হয়েছে
সময়- বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

নিজেস্ব প্রতিবেদক,

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ঝলমলিয়া শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবেলায় সচেতনতা তৈরিতে ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারণা ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক)। বুধবার (২০ মে )দিন ব্যাপি “দুর্যোগে নাই কোনো ভয়, যদি মোদের প্রস্তুতি রয়” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল সবচেয়ে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়। অনুষ্ঠানে দুর্যোগকালীন প্রস্তুতি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং ক্ষয়ক্ষতি কমানোর বিভিন্ন কৌশল নিয়ে বক্তব্য, নাটক, কুইজ প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। কোমলমতি শিশুরা নিজেদের পরিবেশনা ও বক্তব্যের মাধ্যমে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেয় উপস্থিত সবার মাঝে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোডেকের চাইল্ড প্রটেকশন অফিসার পূর্ণিমা রায়। এছাড়াও স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ, ইউপি সদস্য, সাংবাদিক, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

 

চাইল্ড প্রটেকশন অফিসার পূর্ণিমা রায় বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে শিশুদের জীবনে। তাই ছোটবেলা থেকেই তাদের দুর্যোগ সম্পর্কে সচেতন ও প্রস্তুত করে তুলতে হবে। শিশুদের অংশগ্রহণমূলক এমন আয়োজন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। তাই দুর্যোগের আগেই সচেতনতা ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে পারলে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ