শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে ব্যবসায়ী পার্টনারকে কর্মচারি আখ্যা দিয়ে বের দেওয়া অভিযোগ রেলের ক্যাটারিং সার্ভিসকর্মী হৃদয় অর্থসহ স্বর্ণালংকার নিয়ে লাপাত্তা  বাগেরহাটে ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং ডিজিটাল মিডিয়া লিটারেসি বিষয়ে কর্মশালা বাগেরহাটে ১৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক বাগেরহাটে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ১৮ হাজার ১ জন  অংশগ্রহণ ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিরোধ: মোল্লাহাটে মরদেহের দাফন-সৎকার নিয়ে উত্তেজনা রামপালে খাস জমি দখল ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রামপালে মানববন্ধন মল্লিকেরবেড়ে এন. আমিন হেলথ জোন অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারের উদ্বোধন ২০ এপ্রিল থেকে বাগেরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু  খানজাহান আলী মাজারের কুমির-কুকুর কান্ড : কুকুরটি জলাতঙ্ক সংক্রামন ছিল  

বাগেরহাটে ব্যবসায়ী পার্টনারকে কর্মচারি আখ্যা দিয়ে বের দেওয়া অভিযোগ

রিপোর্টার- / ৩ পড়া হয়েছে
সময়- শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটে ব্যবসায়ী পার্টনারকে কর্মচারি আখ্যা দিয়ে বের দেওয়া অভিযোগ উঠেছে মামার বিরুদ্বে। যৌথ অংশীদারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল ও সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ব্যবসায়ী পার্টনার মোঃ শফিকুল ইসলাম।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) বাগেরহাট প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম জানান, তার আপন মামা কামরুজ্জামান মোল্লা ওরফে কাশ্মিরের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত “মোল্লা হার্ডওয়ার স্টোর’নামীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে পরিচালনা করে আসছেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জমির পরিমাণ ০.৫২৭ একর, যার মধ্যে তিনি এক-তৃতীয়াংশের মালিক এবং প্রতিষ্ঠানে ৮ আনা শেয়ারধারী বলে দাবি করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তার অংশীদার বিভিন্ন কৌশলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তি এককভাবে দখলের চেষ্টা করছেন। প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স ও ব্যাংক হিসাব অংশীদারের নামে থাকায় তিনি এককভাবে আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করে আসছেন এবং বছরের পর বছর তাকে কোনো হিসাব বা লভ্যাংশ দেননি। এছাড়া, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সেই অর্থ ব্যক্তিগত ব্যবসায় বিনিয়োগ করার অভিযোগও তোলেন তিনি। এসব কার্যক্রম থেকে অর্জিত লাভ এককভাবে ভোগ করা হচ্ছে, অথচ তিনি দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চিত হচ্ছেন।

শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, কামরুজ্জামান মোল্লা ওরফে কাশ্মিরের  কাছে হিসাব চাইলে তাকে হুমকি দেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে চলতি মাসের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি তার অংশের সম্পত্তি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে এবং তা না করলে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।  তিনি বলেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল যেকোনো সময় সরিয়ে ফেলার চেষ্টা করা হতে পারে, যাতে তাকে তার প্রাপ্য অংশ থেকে বঞ্চিত করা যায়। এ অবস্থায় প্রশাসনের কাছে বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার দাবি জানান।  তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ২০২১ সালে  হারানো একটি ব্যাংক চেকের ভিত্তিতে সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ১৩ লাখ টাকার দাবিতে একটি উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও চেক জালিয়াতির অংশ বলে দাবি করেন। সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম তার উপর হওয়া অন্যায় ও হয়রানির বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ এবং ন্যায়বিচার কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ