শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ,বিক্ষোভ ও মানববন্ধন বাগেরহাটে দুই বছরেও চালু হয়নি ভাগা রেলস্টেশন, ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম  বাগেরহাটে দুই মোটরসাইকেল ও নসিমনের সাথে ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৩ জন নিহত রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে নতুন রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট উৎপাদন, যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে বাগেরহাটে সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ, অবরুদ্ধ ইউপি প্রশাসক বাগেরহাটে জমি দখলের চেষ্টা ও হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ভিডিও নজরে আসতেই দুলিপা পারভীন ও হোসাইনের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন ডা. জুবাইদা রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ৮ দিন বন্ধ থাকার পর দ্বিতীয় ইউনিট চালু ​মোড়েলগঞ্জে মাদকসহ ব্যবসায়ী আটক  ​ বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

বাগেরহাটে কচুয়ায় নিহত যুবদল নেতার দাফন সম্পন্ন

রিপোর্টার- / ৫৩৫ পড়া হয়েছে
সময়- বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটে কচুয়ায় দূর্বৃত্তের হামলায় নিহত যুবদল নেতা জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫)‘র দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) বাদ আসর শিবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়। মিন্টুর নামাজে জানাজায় রাড়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন চলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা অংশগ্রহন করেন।

এর আগে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মিন্টুর মরদেহ পরিবারেরকাছে হস্তান্তর করে পুলিশ। এদিকে হত্যার একদিন পার হয়ে গেলেও, এখন পর্যন্ত মামলা হয়নি।

হত্যার শিকার মিন্টু কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের সরদার আবু বক্কারের ছেলে। তার দুই স্ত্রী ও ৯ বছর বয়সী এক ছেলে, ৬ বছর বয়সী মেয়ে রয়েছে। তিনি এক সময় কচুয়া উপজেলা যুবদলের সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি রাড়িপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। সোমবার (১৪ অক্টোবর) দিবাগত রাতে দুই স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে বাড়িতে ছিলেন মিন্টু। গভীর রাতে বড় স্ত্রীর সাথে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ৮-১০জন লোক ঘরে প্রবেশ করে মিন্টু ও তার ছোট স্ত্রীকে বেধরক মারধর এবং কুপিয়ে আহত করে। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে মিন্টুর মৃত্যু হয়।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম আহমেদ খান বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মিন্টুর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মিন্টুর বড় স্ত্রী ঝর্না বেগম পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এখনও কেউ অভিযোগ করেণি। অভিযোগ পেলে মামলা হবে। এছাড়া হত্যার মূল কারণ অনুসন্ধ্যানে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ