শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে কৃষকদল নেতা হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল  সরিয়ে নেওয়া হলো খানজাহান আলী মাজার দিঘির একমাত্র কুমির জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বাগেরহাটে যুবদলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল  বাগেরহাটে মাজারের দীঘিতে  কুমির টেনে নেওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তা আজও দেশের মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক – প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম নাহিয়ান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের  কুরবানির আনন্দ পৌঁছে গেল ৩০০ পরিবারের ঘরে দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযানে ভরসার নাম আব্দুল আলীম শেখ দুর্যোগে প্রস্তুতির বার্তা ছড়িয়ে ঝলমলিয়ায় কোডেকের সাংস্কৃতিক প্রচারণা কোডেক অগ্রযাত্রা প্রকল্পের ফ্রি গাইনি সেবা, চিকিৎসা পেলেন ৮৫ নারী রোগ বাগেরহাট সরকারী পিসি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

বাগেরহাটে উঠান বৈঠক, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে ‘আলো ছড়াক শিক্ষা’

রিপোর্টার- / ৪২২ পড়া হয়েছে
সময়- রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫

নিজেস্ব প্রতিবেদক ,  “শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে বাগেরহাটে অনুষ্ঠিত হলো এক বিশেষ উঠান বৈঠক। শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে এই বৈঠকে শিক্ষার গুরুত্ব ও বাল্যবিবাহ রোধে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার আল ইসলাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘আলো ছড়াক শিক্ষা’ শীর্ষক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। “ঝরে পড়া কমাই, শিক্ষার আলো বাড়াই” ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সমাজকর্মীসহ মোট ৪৫ জন অংশগ্রহণকারী।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকদের একসাথে কাজ করতে হবে বাল্যবিবাহ রোধে। কারণ এই একটি কারণেই অনেক মেয়ে পড়াশোনা শেষ করতে পারে না।

ফোরামের পরিচিতি পর্বে ইয়ুথ ফর পলিসি (YfP) বাগেরহাট কমিটির টিম লিড ফারদিন সানি বলেন, “YfP তরুণদের নীতি নির্ধারণে অংশ নিতে উৎসাহিত করে। আমরা বাগেরহাটে শিক্ষা, লিঙ্গসমতা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সামাজিক জবাবদিহিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করছি।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধে পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজের সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য। শুধু শিক্ষক নয়, অভিভাবককেও সন্তানদের পাশে থাকতে হবে—তাদের পড়াশোনায় আগ্রহ জাগাতে হবে।

শিক্ষার্থী রাবেয়া বৈঠকে নিজের অভিমত তুলে ধরে বলেন, ১৮ বছরের আগে মেয়েদের বিয়ে না দিলে তারা পড়াশোনা শেষ করতে পারে, নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

বক্তারা আরও বলেন, অল্প বয়সে বিয়ে হলে শিক্ষাজীবন থেমে যায় এবং মা ও শিশুর জীবনে ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই পরিবার থেকেই সচেতনতা তৈরি করতে হবে যাতে কোনো মেয়ে তার স্বপ্ন থেকে বঞ্চিত না হয়।

বৈঠক শেষে অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হলে সবাইকে মিলে কাজ করতে হবে তবেই কমবে ঝরে পড়া, এগিয়ে যাবে বাগেরহাটের শিক্ষা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ