বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নতুন কুঁড়ি সিজন-২-এ নিবন্ধন ২১৮৬ প্রতিযোগী প্রধানমন্ত্রী আজ বাগেরহাটে আসছেন বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণীর কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে বই বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর বাগেরহাট সফর ঘিরে উপকূলবাসীর নানা উন্নয়নমূলক প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বাগেরহাটে বিএনপির আনন্দ মিছিল নামে-বেনামে বরাদ্দ নয়, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পিআইসি কমিটি; বাগেরহাটে জেলা পরিষদের শতাধিক প্রতিষ্ঠানে চেক বিতরণ বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর এসি প্রদান জনগণ গণভোটে হা-এর পক্ষে রায় দিয়েছে, বিএনপিকে এটা বাস্তবায়ন করতে হবে-ডা, শফিকুর রহমান ফকিরহাটে জমি দখল ও হামলার ঘটনায় অপরাধ ঢাকতে উল্টো মামলার শিকার পরিবার বঙ্গোপসাগরে ট্রলিং বন্ধের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন

প্রধানমন্ত্রীর বাগেরহাট সফর ঘিরে উপকূলবাসীর নানা উন্নয়নমূলক প্রত্যাশা

রিপোর্টার- / ৩ পড়া হয়েছে
সময়- বুধবার, ৪ নভেম্বর, ২০২৬

আলী আকবর টুটুল.দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রান্তিক উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটে সরকার প্রধানের আগমনকে ঘিরে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার জনগোষ্ঠীর মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন আশার সঞ্চার। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, মোংলা বন্দরকে আরও সচল করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই বেড়িবাধ নির্মান ও সুপেয় পানির সংকট নিরসনসহ দীর্ঘদিনের একাধিক মৌলিক সমস্যার সমাধানে সুনির্দিষ্ট ঘোষণার প্রত্যাশা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বাগেরহাটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ–উদ্দিপনা দেখা গেছে। বাগেরহাটে উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে আধুনিক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে এই লবণাক্ততা ও সুপেয় পানির দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করার জোর দাবি স্থানীয়দের।এছাড়া ​টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মান,জলাবদ্ধতা দুরীকরন,স্বাস্থ্যসেবায় মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মান, পুনরায় রেল চালু, স্থানীয় তরুণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান, একটি বিশ্ববিদ্যালয়, মোংলা বন্দরের নাব্যতা বৃদ্ধি, জেটি ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন,সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে ইকো-ট্যুরিজম ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের সঠিক সমন্বয় প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।

মোংলা বন্দরে জাহাজ চলাচলে নব্যতা সংকট দুর করার পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কল-কারখানা স্থাপনের সরকারের পৃষ্টপোষকতা প্রয়োজন বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সরদার জাহিদ হোসেন বলেন, আপনারা জানেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর আমাদের মোংলাতে, কিন্তু সেই সমুদ্র বন্দরকে কেন্দ্র করে আমাদের এইখানে পর্যাপ্ত শিল্প কল কারখানা গড়ে ওঠে নাই। এই ধরণের পরিবেশ তৈরি হয় নাই। আমাদের এই মোংলা বন্দরটি নাব্যতা সংকটের জন্য বড় জাহাজ এখানে আসতে পারে না, ট্রি ট্যাংকর থেকে ডাবল খরচ হয় আমরা এই অঞ্চলে যেখানে ব্যবসা করি তারাও ট্রি ট্যাংক মুখী। কিভাবে বন্দরটাকে গতিশীল করা যায় এবং পাশাপাশি বিমান বন্দর এবং গ্রামে সাধারণ আ আ উপজিলা পর্যায়ে কর্ম সংস্থান সৃষ্টির জন্য যাতে শিল্প কল কারখানা স্থাপন করতে সরকারি সহযোগিতা পাওয়া যায় এ ব্যাপারে আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক খাদেম নিয়ামুল নাসির আলাপ বলেন, বাগেরহাটবাসীর অনেক প্রত্যাশা মানবিক প্রধানমন্ত্রীর কাছে। বাগেরহাটবাসীর চাওয়া একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, একটি বিশ্ববিদ্যালয়, সুপেয় পানির জন্য ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। এছাড়া পর্যটনখাত বিকাশিত হবে এবং মোংলা বন্দরের ব্যবসা বানিজ্য আরও প্রসারিত হবে। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন যাবত জেলা বিএনপির পূনাঙ্গ কোন কমিটি নেই। সাংগঠনিকভাবেও বিএনপি দীর্ঘদিন খারাপ অবস্থানে আছে। সেখান থেকে সাংগঠনিকভাবে বিএনপিকে আরো শক্তিশালী করতে বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনগুলোর কমিটিগুলো জরুরি প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়ে দৃষ্টি দেবেন বলে আমরা আশা করি।

বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা ব্যারিষ্টার শেখ মো. জাকির হোসেন বলেন, ১৭ বছর আমাদের দেশে গনতন্ত্র ছিলো না। আমরা গনতন্ত্র ফেরত ফেয়েছি। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করবার আগেই তিনি ৩১ দফা প্রনয়ন করেছিলেন। সারা দেশে সে সময় উন্নয়ন উনি চান। তিনি বিশেষ করে আমাদের এই অঞ্চলের মোংলা পোর্ট, সুন্দরবন কেন্দ্রিক যে উন্নয়ন সেই উন্নয়ন কে তড়িৎ করবার জন্য ইতিমধ্যেই তিনি প্রায় ১৫ দিনের কম সময়ের মধ্যে ২বার মোংলা বন্দর সফর করছেন। খুলনাতে সফর করছেন। ৫ নভেম্বর খান জাহান আলী (রহ) মাজার জিয়ারত করবেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী কাছে প্রত্যাশা তার যে কমিটমেন্ট সারা দেশের মতো বাগেরহাটে একটা মেডিকেল কলেজ হবে এখানে একটা  বিশ্ববিদ্যালয় হবে।এছাড়া এখানে যে অবকাঠামো গত উন্নয়ন তড়িৎ হবে। প্রাকৃতিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনায় সমৃদ্ধ বাগেরহাট জেলায় প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নজরদারি ও নতুন উন্নয়ন কর্মসূচির ঘোষণা এলে পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমের অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করেন তিনি।

বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহবায়ক এটিএম আকরাম হোসেন তালিম বলেন, আমাদের বাগেরহাটে একটা লবণাক্ত এলাকা, এখানে ভেরিবাধ অনেক প্রয়োজন। দক্ষিণাঞ্চল নদীর গর্ভে দিন দিন বিলীন হয়ে যাচ্ছে, নদীগুলো সবই নব্যতা হারাচ্ছে, সেইজন্য পানি দিন দিন বাড়ছে, এর জন্য আমাদের বেড়িবাঁধ দরকার। বাগেরহাটের অঞ্চলে সুপেয় পানির অভাব এখানে সুপেয় পানির প্রয়োজন। বিশেষ করে পৌর সভায় কেউই পানি পায় না আমরা খুবই দুর ব-অব স্থার মধ্যে আছি। এছাড়া এখানে বিমানবন্দর চালু করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাত থেকেই বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর করা হয়েছিলো। বিমানবন্দর টি পূর্ণাঙ্গ রূপে  চালু করার দাবি জানাচ্ছি। খানজাহান আলী রহমাতুল্লাহ এর পণ্যভূমি বাগেরহাট ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে।এইসব নিদর্শনগুলো আর্কোলজির মাধ্যমে যদি নেয়া হয় তাহলে আমার মনে হয় এগুলো সুন্দরভাবে সংস্কার হবে এখানে একটা পর্যটক স্পট হিসেবে এটা আরো সুন্দর হবে।##


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ