সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মোংলায় ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ করে জমি দখলের অপচেষ্টা, নেপথ্যে প্রভাবশালী মহল বাগেরহাটে বিএনপির নারী নেত্রীদের অবমূল্যায়ন ও হাইব্রিড নেতাদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ বাগেরহাটে ঘের সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব : বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, বিক্ষোভ   হাইকোর্টে তথ্য গোপনের অভিযোগ রামপাল বাইনতলা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মনিরা বেগম বরখাস্ত বাগেরহাটে যুবদল নেতা সুজন মোল্লার নামে অপপ্রচার,তদন্তে পুলিশ বাগেরহাটের শরনখোলায় দখলকৃত জমি উদ্ধার, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগে : সংবাদ সম্মেলন  জমি বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্ত মূলক তথ্য -পুলিশ সুপার  বাগেরহাটে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভ্যন্তরীন সিন্ডিকেট চক্রের প্রভাবে ভোগান্তি চরমে  বাগেরহাটে জুলাই সনদ ও গনভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলের বিক্ষোভ 

বাগেরহাটে দ্বিতীয় দিনের মত নির্বাচন অফিস ঘেরাও

রিপোর্টার- / ১৮৮ পড়া হয়েছে
সময়- বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক.  বাগেরহাটে চারটি আসন বহালের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মত জেলা নির্বাচন অফিস ঘেরাও করেছে সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে সর্বদলীয় সম্মিলিতি কমিটির নেতাকর্মীরা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এসে জড়ো হতে থাকেন। ঘিরে রাখেন নির্বাচন অফিসের প্রধান গেট। নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অফিসে প্রবেশ করতে দেখা যায়নি। এই ঘেরাও কর্মসূচি চলবে দুপুর একটা পর্যন্ত।

এদিকে বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহাল করতে কেন নির্দেশনা দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বাগেরহাটের চারটি আসন থেকে একটি কমিয়ে তিনটি আসন করে নির্বাচন কমিশনের গেজেট কেন অবৈধ হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের আগামী ১০ ‍দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা বলছেন হিন্দু ধর্মালম্বীদের দূর্গাৎসবের কারণে হরতালের কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। তবে নির্বাচন অফিস ঘেরাও থাকবে।দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথে আন্দোলন চলবে বলে জানান সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতারা।
সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির সদস্য সচিব ও জামায়েতে ইসলামী বাংলাদশের জেলা সেক্রেটারি শেখ মোহাম্মাদ ইউনুস বলেন, দূর্গাৎসব, ব্যবসায়ীদের ক্ষতি ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে আমরা হরতালের কর্মসূচি আপতত বাতিল করেছি। উচ্চ আদালত ১০ দিনের রুল জারি করেছেন। আশাকরি আমরা ন্যায় বিচার পাব। যদি পর্যন্ত আমরা চারটি আসন না ফিরে পাব, ততদিন পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দেন এই নেতা।

গেল ৩০ জুলাই দুপুরে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাটের চারটি আসনের মধ্যে একটি আসন কমিয়ে জেলায় তিনটি আসন করার প্রাথমিক প্রস্তাব দেয়। এরপর থেকেই বাগেরহাটবাসী আন্দোলন শুরু করে। চারটি আসন বহাল রাখারদাবিতে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে অংশগ্রহণ করেন বাগেরহাটবাসী। এরপরেও ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন শুধু সীমানা পরিবর্তন করে তিনটি আসনইজারি রেখে চুড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। নির্বাচন কমিশনের এই আসন বিন্যাস গন মানুষের দাবিকে উপেক্ষা করেছে বলে জানান সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতাকর্মীরা।

চুড়ান্ত গেজেট অনুযায়ী, বাগেরহাট-১ ( বাগেরহাট সদর-চিতলমারী-মোল্লাহাট), বাগেরহাট-২ (ফকিরহাট-রামপাল-মোংলা)ও বাগেরহাট-৩(কচুয়া-মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা)।

দীর্ঘদিন থেকে ৪টি আসনে নির্বাচন হয়ে আসছিল। তখনকার সীমানা: বাগেরহাট-১ (চিতলমারী-মোল্লাহাট-ফকিরহাট), বাগেরহাট-২(বাগেরহাট সদর-কচুয়া), বাগেরহাট-৩ (রামপাল-মোংলা) বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা)।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ