নিজস্ব প্রতিবেদক. ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ না করা হলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিবে না পৌর কর্মচারীরা। এমন আল্টিমেটাম দিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসুচি পালন করেছে পৌর কর্মচারী ও শিক্ষক-কর্মচারী বৃন্দরা।রবিবার (১ ফেরুয়ারী) সকাল সাড়ে ১১টায় মোংলা পোর্ট পৌরসভার সামনে সকল সরকারী, বেসরকারী, আধা সরকারী, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের সমন্নয় গঠিত দাবী আদায় ঐক্য পরিষদ মোংলা শাখা এ কর্মসুচির আয়োজন করেন। এতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নবম গ্রেডের দাবীদার কর্মচারীরা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। এসময় দাবী মানা না হলে ১২ ফেরুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেয়ার হুঁশিয়ারী দেন মোংলা পৌর কর্মচারীরা।
বক্তারা বলেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই অর্ন্তবতীকালীন সরকারকে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারি করার আহবান জানান। অন্যথায় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতী সহ কার্যক্রম অকার্যকর কারার মতো কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এ কর্মসুচিতে পৌরসভা সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসুচিতে জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ কহিনুর সরদার বলেন, আমাদের ৯ম গ্রেডের দাবির জন্য রাস্তায় নামানো হয়েছে। যদি নির্বাচনের আগেই বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে তারা রাজপথ থেকে ঘরে উঠবে না। প্রয়োজনে সরকারের প্রধান দফতর ঘেরাউ করে দাবী বাস্তাবয়নের জন্য জীবন বাজি রাখতে প্রস্তত রয়েছি।
বক্তারা আরও বলেন, আমরা না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি, আমাদের পরিবারের দিকে কেউ তাকাচ্ছে না। আপনারা যদি এদেশকে আবার যদি অশান্তির দিকে ঠেলে দেন, ৯ম পে-স্কেল যদি বাস্তবায়না না করেণ, তা হলে ২০ লাখ সরকারী-বেসরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীর দফতরগুলো যদি অকার্জকর হয়ে যায় তবে এর দায় ভার সরকারকেই নিতে হবে। সে জন্য আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যেই এ সমস্যার সমাধান চাই।
মোংলা পোর্ট পৌরসভার হিসাব রক্ষক ও পৌর কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি নিজাম উদ্দিন বাহাদুর বলেন, আমরা কীভাবে মানবেতর জীবনযাপন করছি তা কেউ বুঝতে পারছে না। প্রতিনিয়ত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে, অথচ আমাদের বেতন-ভাতা বাড়ছে না। এ দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি। অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রতি দাবী করে বলেন, ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন না করলে পৌর কর্মচারীরা আগামী ১২ ফেরুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবে এবং করতে দেয়া হবে না বলে হুঁশিয়ারী দেন তিনি।