শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে বিরোধ: মোল্লাহাটে মরদেহের দাফন-সৎকার নিয়ে উত্তেজনা রামপালে খাস জমি দখল ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে রামপালে মানববন্ধন মল্লিকেরবেড়ে এন. আমিন হেলথ জোন অ্যান্ড ফিজিওথেরাপি সেন্টারের উদ্বোধন ২০ এপ্রিল থেকে বাগেরহাটে হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু  খানজাহান আলী মাজারের কুমির-কুকুর কান্ড : কুকুরটি জলাতঙ্ক সংক্রামন ছিল   বাগেরহাটের জেলা বিএনপির উদ্যোগে বর্ষবরণ ও আনন্দ র‌্যালী বাগেরহাটে যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মানববন্ধন বাগেরহাটে বর্নাঢ্য আয়োজনে বাংলা বর্ষবরণ সংরক্ষিত আসনের শহিদ পরিবার থেকে প্রার্থী চায় সংগ্রামী নেত্রী শারমিন সুলতানা রুমা জ্বালানি সংকট: মোংলা বন্দরে পণ্য খালাসে অচলাবস্থা

নুরের ওপর হামলার ঘটনায় প্রেস সচিবের নিন্দা, তদন্তের আশ্বাস

আলোর পথে ডেস্ক- / ৩২১ পড়া হয়েছে
সময়- শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর ও দলটির নেতাকর্মীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হামলার নিন্দা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। পাশাপাশি এ ঘটনার তদন্ত করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন নুরকে দেখতে গিয়ে এ কথা জানান শফিকুল আলম।


শফিকুল আলম বলেন, আমি কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেছি। ডাক্তাররা জানিয়েছেন, নুরের নাক ও চোখের কাছে আঘাত লেগেছে, ইন্টার্নাল ব্লিডিং হচ্ছে এবং তিনি সেমি-কনশাস অবস্থায় আছেন।


তিনি বলেন, নুরের ওপর হামলা খুবই ন্যাক্কারজনক একটি ঘটনা। আমরা এটার নিন্দা জানাই। এই পুরো ঘটনা আমরা তদন্ত করব।

প্রেস সচিব আরও বলেন, যখন দেশে মানুষের সাহসের অভাব ছিল, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কেউ দাঁড়ায়নি, তখন ২০১৮ সালে নুরুল হক নুর কোটাবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার সাহস আপনারা দেখেছেন। ২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানে নুরসহ গণঅধিকার পরিষদের সবাই ছিলেন। ১৯ জুলাই রাতে নুরকে গ্রেফতার করে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। তার ওপর আজকের হামলার ঘটনাটিও তদন্ত করা হবে।

এর আগে রাত ৯টার দিকে রাজধানীতে জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হয়। এতে গুরুতর আহত হন দলটির সভাপতি নুরুল হক নুর। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে সহকর্মীরা দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

সংঘর্ষের বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন, জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে পড়ে।

ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাকরাইলে সেনাবাহিনী, পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ