রবিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে ‘১৬ ডেস অফ এক্টিভিজম’নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বাগেরহাটে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মানবিক সহায়তা   তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ভিক্ষুক বাকপ্রতিবন্ধী পরিবার পেলো নতুন ঘর বাগেরহাটে স্বেচ্ছাশ্রমে জেল খানা পুকুরের কচুরিপানা পরিস্কার বাগেরহাটে বিরল প্রজাতির তক্ষকসহ পাচারকারী আটক বাগেরহাটে সনাক–ইয়েস–এসিজি’র দিনব্যাপী অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে ‘১৬ ডেস অফ এক্টিভিজম’ নারী নির্যাতন প্রতিরোধে বাদাবন সংঘের র‍্যালি, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রামপালে অতিষ্ঠ উজলকুড় গ্রামের বাসিন্দারা, পুলিশের হস্তক্ষেপ কামনা দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের কর্মবিরতি অব্যাহত ভোগান্তিতে রোগী–স্বজনরা বাগেরহাটে আগুনে পুড়ে ছাই ফার্নিচার দোকান, ব্যবসায়ীর ক্ষতি প্রায় ১০ লাখ টাকা

এনজিও কর্মীদের বিরুদ্ধে গৃহবধূর আংটি, নাকফুল ও বদনা নেওয়ার অভিযোগ

রিপোর্টার- / ৪৯ পড়া হয়েছে
সময়- রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটের চিতলমারীতে একটি এনজিওর কর্মীদের বিরুদ্ধে শ্রাবণী হীরা (২২) নামের এক গৃহবধূর হাতের স্বর্ণের আংটি, নাকফুল ও পিতলের বদনা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সময় মত কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় ওই এনজিও’র এক কর্মী পাশ বইয়ে আংটি বাবদ ৮ হাজার ও বদনা বাবদ ১ হাজার ৫০০ টাকা জমা করেছেন।‘

শনিবার (০৮ নভেম্বর) ওই গৃহবধুর একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়। তবে এনজিওটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবী গৃহবধূ খুশি হয়ে তাদের হাতে আংটি, নাকফুল ও বদনা তুলে দিয়েছেন।

উপজেলার আড়–য়াবর্নি গ্রামের গৃহবধূ শ্রাবণী হীরা কান্নাজড়িতকন্ঠে  জানান, তিনি ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টর (ডিএফইডি) চিতলমারী শাখা থেকে ৪০ হাজার টাকা ঋণ নেন। লাভসহ তার ৪৫ হাজার ১২০ টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল। কিন্তু সামান্য কিছু টাকা বাকী থাকতে তাঁর স্বামী রিপন কাজের জন্য এলাকা ছাড়েন। এরপর কয়েকটি কিস্তি খেলাপী হলে গত ২৯ অক্টোবর সকাল ১০ টায় ওই ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টর কর্মীরা তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। অফিসে নিয়ে তাকে ও তার ৩ বছরের কণ্যা শিশুকে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখে। পরে এনজিও কর্মী ও কর্মকর্তারা ফিল্ড থেকে ফিরে বিকেলে জোরপূর্বক শ্রাবণী হীরাকে দিয়ে ২টি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে বাধ্য করে হাতের আংটি, নাকফুল ও পিতলের একটি বদনা নিয়ে ভিডিও ধারণ করে রাখে। এ সময় তার শিশুটি ক্ষুধার জন্য ছটফট করছিল। ভয়ে তিনি কাউকে কিছু বলতে পারেননি।

এবিষয়ে ডাম ফাউন্ডেশন ফর ইকোনমিক ডেভেলপমেন্টর (ডিএফইডি) চিতলমারী শাখার ম্যানেরজার বাসুদেব দেবনাথ বলেন, ‘গৃহবধূ শ্রাবণীর কিস্তি খেলাপী ছিল। তার কাছ থেকে নাকফুল নেওয়ার বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাটি আমরা খতিয়ে দেখব।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ