বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নতুন কুঁড়ি সিজন-২-এ নিবন্ধন ২১৮৬ প্রতিযোগী প্রধানমন্ত্রী আজ বাগেরহাটে আসছেন বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণীর কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে বই বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর বাগেরহাট সফর ঘিরে উপকূলবাসীর নানা উন্নয়নমূলক প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বাগেরহাটে বিএনপির আনন্দ মিছিল নামে-বেনামে বরাদ্দ নয়, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পিআইসি কমিটি; বাগেরহাটে জেলা পরিষদের শতাধিক প্রতিষ্ঠানে চেক বিতরণ বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর এসি প্রদান জনগণ গণভোটে হা-এর পক্ষে রায় দিয়েছে, বিএনপিকে এটা বাস্তবায়ন করতে হবে-ডা, শফিকুর রহমান ফকিরহাটে জমি দখল ও হামলার ঘটনায় অপরাধ ঢাকতে উল্টো মামলার শিকার পরিবার বঙ্গোপসাগরে ট্রলিং বন্ধের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন

বাগেরহাটে ‘তারায় তারায় খচিত’ টেলিস্কোপে চোখ রেখে শিক্ষার্থীদের মহাকাশ দেখা, উৎসবে রূপ নিলো বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ

রিপোর্টার- / ৪৬৭ পড়া হয়েছে
সময়- বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫

নিজেস্ব প্রতিবেদক, জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ উপলক্ষে বাগেরহাটের উদ্দীপন বদর-সামছু বিদ্যানিকেতনে শিক্ষার্থীদের জন্য আয়োজন করা হয় দিনব্যাপী কর্মশালা ‘তারায় তারায় খচিত’। বুধবার(৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতি (SPSB)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই বিকেল চারটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে শিক্ষার্থীরা নিজের হাতে টেলিস্কোপ চালিয়ে চাঁদ ও তারা দেখার অনন্য অভিজ্ঞতা ।

জাতিসংঘ ঘোষিত ‘বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ ২০২৫’ (৪–১০ অক্টোবর)-এর প্রতিপাদ্য “Living in Space” বা “মহাকাশে বসবাস”-এর অংশ হিসেবে আয়োজনটি হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,উদ্দীপন বদর-সামছু বিদ্যানিকেতনের  সিফ পেসিলেটর  সুব্রত কুমার মুখার্জি ,এসপিএসবি সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার,মো. রেজাউল ইসলাম ,কোষাধ্যক্ষ নাসির খান সৈকত ,রিজওনাল কোঅরডিনেটর মাহমুদ শোভন,মেন্টর ফারজানা আক্তার লিমা ,মেন্টর ,রুবাইয়েদসহ প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী ।

রাতে বিদ্যালয়ের মাঠে।

শিক্ষার্থী তামান্না আক্তার বলল,টেলিস্কোপে চাঁদ দেখার সময় মনে হচ্ছিল যেন আমি পৃথিবীর বাইরে চলে গেছি! বইয়ে যেভাবে দেখি, আজ সেগুলো চোখে দেখলাম এটা অবিশ্বাস্য।

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাহাত হোসেন ,আমি আগে ভাবতাম মহাকাশ খুব দূরের কিছু। কিন্তু আজ বুঝলাম বিজ্ঞান জানলে আমরাও একদিন সেখানে পৌঁছাতে পারব।

উদ্দীপন বদর-সামছু বিদ্যানিকেতনের  সিফ পেসিলেটর  সুব্রত কুমার মুখার্জি বলেন, গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের কাছে এমন আয়োজন একেবারে নতুন। তারা শিখছে, প্রশ্ন করছে, আর বিজ্ঞানের আনন্দটা নিজেরা অনুভব করছে এটাই সবচেয়ে বড় সাফল্য।এমন আয়েজন গ্রামিণ প্রান্তে প্রান্তে ছড়িয়ে পড়া উচিৎ।

বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির কোষাধ্যক্ষ নাসির খান সৈকত বলেন,আমরা চাই বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাও যেন বিজ্ঞানের আলোয় বড় হয়। বিজ্ঞানের শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে তারা কখনো জানবে না আকাশ কত বড়, পৃথিবী কত ক্ষুদ্র। তাই আমরা টেলিস্কোপ হাতে তাদের আকাশ দেখার সুযোগ দিচ্ছি যাতে তারা নিজের চোখে বুঝতে পারে বিজ্ঞানের সৌন্দর্য কতটা বাস্তব।

তিনি আরও বলেন, মহাকাশ, জ্যোতির্বিজ্ঞান, রোবটিক্স এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীরা আগ্রহী হলে ভবিষ্যতে তারাই দেশের প্রযুক্তি ও গবেষণায় নেতৃত্ব দেবে। আমরা শুধু তাদের কৌতূহলের আগুনটা জ্বালিয়ে দিতে চাই, যাতে তারা নিজেরাই খুঁজে নেয় শেখার আনন্দ।

এম,এস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ