মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে কৃষকদল নেতা হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল  সরিয়ে নেওয়া হলো খানজাহান আলী মাজার দিঘির একমাত্র কুমির জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বাগেরহাটে যুবদলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল  বাগেরহাটে মাজারের দীঘিতে  কুমির টেনে নেওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তা আজও দেশের মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক – প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম নাহিয়ান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের  কুরবানির আনন্দ পৌঁছে গেল ৩০০ পরিবারের ঘরে দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযানে ভরসার নাম আব্দুল আলীম শেখ দুর্যোগে প্রস্তুতির বার্তা ছড়িয়ে ঝলমলিয়ায় কোডেকের সাংস্কৃতিক প্রচারণা কোডেক অগ্রযাত্রা প্রকল্পের ফ্রি গাইনি সেবা, চিকিৎসা পেলেন ৮৫ নারী রোগ বাগেরহাট সরকারী পিসি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

বাগেরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত

রিপোর্টার- / ৩২৪ পড়া হয়েছে
সময়- রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাট সারাদেশের মত বাগেরহাটেও যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় শহরের বধ্যভমিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন পুস্পস্তবক অর্পন করেন। পরে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মহিদুর রহমান পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে পুস্পস্তবক অর্পন করেন।এর পরেই শহীদ বুদ্ধিজীবিদের স্মরণের গার্ড অব অনার ও এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এর পরেই জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা বিএনপি, জেলা আইনজীবি সমিতি, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, এলজিইডি, সড়ক বিভাগ, জেলা যুব দল, জেলা মহিলা দল, জেলা ছাত্রদল, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে পুস্পস্তবক অর্পন করা হয়েছে।পুস্পস্তবক অর্পন শেষে শহররক্ষা বাধ সংলগ্ন বধ্যভূমি চত্বরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন। স্থানীয় সরকার বিভাগ, বাগেরহাটের উপ-পরিচালক ডা. মোঃ ফখরুল ইসলামের এসময় আরও বক্তব্য দেন, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা আকবর আজাদ, অতিরিক্ত পুলিশ ‍সুপার মুহাম্মদ মহিদুর রহমান, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান প্রমুখ।বক্তারা বলেন, বাঙ্গালী জাতীর জন্য একটি কষ্টের দিন ১৪ ডিসেম্বর। আজকের এই দিনেই পাক হানাদার বাহিনী তাদের পরাজয় বুঝতে পেরে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে এদেশের বুদ্ধিজীবিদের হত্যা করেছিলেন। সারাদেশেই তারা নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল।এক কথায় শেষ ঘাঁ দিয়েছিল, পাকিস্থানি বাহিনী। শহীদ বুদ্ধিজীবি ও মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনের বিনমিয়ে আমরা পেয়েছিলাম স্বাধীনতা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ