নিজস্ব প্রতিবেদক. বাগেরহাটের রামপালের খ্রিস্টান পল্লীর বাসিন্দারা পেল বিশুদ্ধ পানি। লবণাক্ত এলাকায় দীর্ঘদিন পর পানির ব্যবস্থা হওয়ায় খুশি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলো। শনিবার (২২ নভেম্বর) রামপাল উপজেলার গিলাতলা বাজার এলাকার খ্রিস্টান পল্লীতে ব্যক্তি উদ্যোগে স্থাপিত গভীর নলকূপের উদ্বোধন করেন সেভ দ্যা সুন্দরবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও রামপাল মংলার আসনের বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম। এসময় স্থানীয় নেতা কর্মীদের উপস্থিত ছিলেন।
উপকারভোগী খ্রিস্টান পল্লীর বাসিন্দা শান্তি বিশ্বাস বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অনেক দূর দূরান্ত থেকে পানি সংগ্রহ করে আনা হতো। এক কলস পানির জন্য এ বাড়ি ওবাড়ি বিভিন্ন জায়গায় সংগ্রহ করতে গেলে নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যে পড়তাম। এমনকি সরকারি ও বিভিন্ন এনজিওর কাছে ধরনা দিয়েও আমরা সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে পারিনি। আজ লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম সহযোগিতায় সুপ্রিয় পানি পাওয়ায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে রক্ষা পাওয়ায় তার জন্য দোয়া করছি।
অপর বাসিন্দা তারাপদ মিস্ত্রি বলেন, যিনি জনগণের সুখ দুঃখের সাথে জড়িয়ে রয়েছেন তিনি ডক্টর ফরিদুল ইসলাম। যার প্রমাণ সুপেয় পানির জন্য তার বাড়িতে একদিন গিয়ে বললে আজ ১৫ দিনের মধ্যে তা ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। তিনি একজন বড় মনের মানুষ হিসেবে দীর্ঘদিন বেঁচে থাকবেন। দশ বছর আগেও আমার মত গরিব মানুষের চিকিৎসা ব্যবস্থা করিয়ে দিয়েছেন যে কারণে আজও বেঁচে আছি। যতদিন বেঁচে থাকবো তার জন্য দোয়া করব তিনি যেন আমাদের মত দরিদ্র ও সুবিধা বঞ্চিত মানুষের সেবার করার সুযোগ পান।

স্থানীয় হৃদয়ে বলেন, আশেপাশের অনেক মানুষ আছেন যারা ইচ্ছে করলেই অনেক উপকার করতে পারেন কিন্তু আজ আমাদের সুখ দুঃখের সাথে জড়িয়ে আছেন ডক্টর ফরিদুল ইসলাম।
লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সুবিধা বঞ্চিত খ্রিস্টান পল্লীর মানুষ সুপেয় পানি থেকে বঞ্চিত ছিল। হঠাৎ একদিন সকালে আমার বাড়িতে যান খ্রিস্টান পল্লীর বাসিন্দারা। তারা দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে সুপেয় পানি না পাওয়ায় নানা ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এরপর এলাকায় সরজমিনে এসে দেখে ২০০ গজ দুর থেকে গভীর টিউবয়েলের সংযোগ দিয়ে পল্লীর ভিতরে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করে দেয়া হয়। কারণ তারা তো সমাজের বাইরে কোন লোক নয় আমাদের সমাজেরই তারা মানুষ। এখানে মানুষ হিসেবেই গণ্য করা হয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগে সুবিধা বঞ্চিত মানুষের সুপেয় পানির ব্যবস্থা করে দিয়েছি। এখন থেকে আর তাদের কোন পানির জন্য দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করা লাগবেনা । এর আগেও তাদের পাশে ছিলাম ও আগামীতে থাকবো আশা করছি।