বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নতুন কুঁড়ি সিজন-২-এ নিবন্ধন ২১৮৬ প্রতিযোগী প্রধানমন্ত্রী আজ বাগেরহাটে আসছেন বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণীর কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে বই বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর বাগেরহাট সফর ঘিরে উপকূলবাসীর নানা উন্নয়নমূলক প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বাগেরহাটে বিএনপির আনন্দ মিছিল নামে-বেনামে বরাদ্দ নয়, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পিআইসি কমিটি; বাগেরহাটে জেলা পরিষদের শতাধিক প্রতিষ্ঠানে চেক বিতরণ বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর এসি প্রদান জনগণ গণভোটে হা-এর পক্ষে রায় দিয়েছে, বিএনপিকে এটা বাস্তবায়ন করতে হবে-ডা, শফিকুর রহমান ফকিরহাটে জমি দখল ও হামলার ঘটনায় অপরাধ ঢাকতে উল্টো মামলার শিকার পরিবার বঙ্গোপসাগরে ট্রলিং বন্ধের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন

নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালায় ডিজিটাল সিকিউরিটির নামে আর কোনো সাংবাদিককে জেলে যেতে হবে না —জেলা প্রশাসক

রিপোর্টার- / ৩৯৯ পড়া হয়েছে
সময়- রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক. ডিজিটাল সিকিউরিটির নামে আর কোনো সাংবাদিককে জেলে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন খুলনার জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনকালীন সময়ে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা, ভুয়া তথ্য মোকাবেলা এবং প্রশাসন ও গণমাধ্যমের পারস্পরিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি) কর্তৃক আয়োজিত নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা বিষয়ক দুইদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
পিআইবির সানোয়ার সাইদ শাহীনের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন- প্রশিক্ষণের রিসোর্স পার্সন দৈনিক আমার দেশ এর ডেপুটি এডিটর সুলতান মাহমুদ বাদল, সাংবাদিক ও শিক্ষক, ইউ ল্যাব নাজিয়া আফরিন মনামী, খুলনা প্রেস ক্লাবের আহ্বায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজে’র সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক রানা। নগরীর সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে খুলনার প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার ৫০ জন এবং খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে পৃথক কর্মশালায় জেলার ৯টি উপজেলার ৪৫ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক আরো বলেন, ‘চাকরির ক্ষতি হলেও আমরা নিরপেক্ষ থাকব এই মানসিকতা নিয়েই নির্বাচন পরিচালনা করছি। খুলনায় যোগদানের শুরুতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চ্যালেঞ্জিং ছিল। তবে প্রশাসন ও খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি বর্তমানে অনেকটাই সহনশীল পর্যায়ে এসেছে।’
নির্বাচন পরিচালনায় প্রশাসনের ওপর বিভিন্ন পর্যায় থেকে চাপ আসে উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকেও অনুরোধ আসে। নিয়মের বাইরে একটি কাজও আমরা করিনি। পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকায় কোনো ইটভাটার লাইসেন্স নবায়ন করা হচ্ছে না, যদিও নির্মাণসামগ্রীর চাহিদা ব্যাপক। একইভাবে অবৈধ যানবাহন ও বালু মহল নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।’
খুলনায় পাঁচটি সংসদীয় আসনে নির্বাচন পরিস্থিতিকে এখন পর্যন্ত আইডিয়াল আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এখানকার প্রার্থীরা, এমনকি হেভিওয়েট প্রার্থীরাও অত্যন্ত কো-অপারেটিভ। আগামী ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী কার্যক্রম আরো গতিশীল হবে। এরই মধ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগ গ্রহণ কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং অন্যান্য জেলার তুলনায় এখানে অভিযোগের সংখ্যা তুলনামূলক কম।’
সাংবাদিকদের সমাজের দর্পণ উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আপনারা অনিয়ম তুলে ধরেন বলেই আমরা অনেক বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারি’। তবে তিনি নির্বাচনকালীন সময়ে মিস ইনফরমেশন ও ডিজ ইনফরমেশনকে সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ছবি, ভিডিও ও তথ্য ছড়ানোর আশঙ্কা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দিনকে রাত বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে, এটা খুব ভয়ের।#

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ