জাতিসংঘ ঘোষিত ‘বিশ্ব মহাকাশ সপ্তাহ ২০২৫’ (৪–১০ অক্টোবর)-এর প্রতিপাদ্য “Living in Space” বা “মহাকাশে বসবাস”-এর অংশ হিসেবে আয়োজনটি হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন,উদ্দীপন বদর-সামছু বিদ্যানিকেতনের সিফ পেসিলেটর সুব্রত কুমার মুখার্জি ,এসপিএসবি সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার,মো. রেজাউল ইসলাম ,কোষাধ্যক্ষ নাসির খান সৈকত ,রিজওনাল কোঅরডিনেটর মাহমুদ শোভন,মেন্টর ফারজানা আক্তার লিমা ,মেন্টর ,রুবাইয়েদসহ প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী ।

শিক্ষার্থী তামান্না আক্তার বলল,টেলিস্কোপে চাঁদ দেখার সময় মনে হচ্ছিল যেন আমি পৃথিবীর বাইরে চলে গেছি! বইয়ে যেভাবে দেখি, আজ সেগুলো চোখে দেখলাম এটা অবিশ্বাস্য।
নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী রাহাত হোসেন ,আমি আগে ভাবতাম মহাকাশ খুব দূরের কিছু। কিন্তু আজ বুঝলাম বিজ্ঞান জানলে আমরাও একদিন সেখানে পৌঁছাতে পারব।
উদ্দীপন বদর-সামছু বিদ্যানিকেতনের সিফ পেসিলেটর সুব্রত কুমার মুখার্জি বলেন, গ্রামীণ শিক্ষার্থীদের কাছে এমন আয়োজন একেবারে নতুন। তারা শিখছে, প্রশ্ন করছে, আর বিজ্ঞানের আনন্দটা নিজেরা অনুভব করছে এটাই সবচেয়ে বড় সাফল্য।এমন আয়েজন গ্রামিণ প্রান্তে প্রান্তে ছড়িয়ে পড়া উচিৎ।
বাংলাদেশ বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সমিতির কোষাধ্যক্ষ নাসির খান সৈকত বলেন,আমরা চাই বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরাও যেন বিজ্ঞানের আলোয় বড় হয়। বিজ্ঞানের শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে তারা কখনো জানবে না আকাশ কত বড়, পৃথিবী কত ক্ষুদ্র। তাই আমরা টেলিস্কোপ হাতে তাদের আকাশ দেখার সুযোগ দিচ্ছি যাতে তারা নিজের চোখে বুঝতে পারে বিজ্ঞানের সৌন্দর্য কতটা বাস্তব।
তিনি আরও বলেন, মহাকাশ, জ্যোতির্বিজ্ঞান, রোবটিক্স এসব বিষয়ে শিক্ষার্থীরা আগ্রহী হলে ভবিষ্যতে তারাই দেশের প্রযুক্তি ও গবেষণায় নেতৃত্ব দেবে। আমরা শুধু তাদের কৌতূহলের আগুনটা জ্বালিয়ে দিতে চাই, যাতে তারা নিজেরাই খুঁজে নেয় শেখার আনন্দ।
এম,এস