বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নতুন কুঁড়ি সিজন-২-এ নিবন্ধন ২১৮৬ প্রতিযোগী প্রধানমন্ত্রী আজ বাগেরহাটে আসছেন বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণীর কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে বই বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর বাগেরহাট সফর ঘিরে উপকূলবাসীর নানা উন্নয়নমূলক প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বাগেরহাটে বিএনপির আনন্দ মিছিল নামে-বেনামে বরাদ্দ নয়, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পিআইসি কমিটি; বাগেরহাটে জেলা পরিষদের শতাধিক প্রতিষ্ঠানে চেক বিতরণ বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর এসি প্রদান জনগণ গণভোটে হা-এর পক্ষে রায় দিয়েছে, বিএনপিকে এটা বাস্তবায়ন করতে হবে-ডা, শফিকুর রহমান ফকিরহাটে জমি দখল ও হামলার ঘটনায় অপরাধ ঢাকতে উল্টো মামলার শিকার পরিবার বঙ্গোপসাগরে ট্রলিং বন্ধের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন

বাগেরহাটে নিত্যপণ্যের বাজার অস্থিতিশীল,  সবজিতে অস্বস্তি

রিপোর্টার- / ৩৬২ পড়া হয়েছে
সময়- মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক. সবজি থেকে শুরু করে মাছ-মাংস সবকিছুর দাম যেন আকাশ ছোয়া। পাইকারি আর খুচরা দামে প্রতি কেজিতে ১৫-২০ টাকার পার্থক্য থাকলেও সাধারণ ভোক্তারা পড়েছে বিপাকে। উদাসীন ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সংরক্ষণ  ও প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৩১ সেপ্টেম্বর) সকালে বাগেরহাট শহরের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজি ও নিত্যপণ্যের দাম আকাশছোঁয়া। ঢেঁড়স কেজি প্রতি ৬০ টাকা, টমেটো ১৪০, গাজর ১৪০, পটল ৭০, কাকরোল ৭০, বরবটি ৭০, মুলা ৬০, ফুলকপি ১৬০, বেগুন ১০০ এবং কাঁচা মরিচ ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাশাপাশি পেপে কেজি ৩০, আমড়া ৪০, কুশি ৫০, কচুরমুখি ৪০, শাকপাতা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লেবুর হালি ৩০, লাউ আকারভেদে ৪০-৬০, আর কচু ৬০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।মসলার বাজারেও স্বস্তি নেই। আদা ১৯০ টাকা, চায়না রসুন১৬০ টাকা, দেশি ১১০ টাকা  পেঁয়াজ ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।মাছের বাজারেও অস্থিরতা।

ইলিশ কেজি আকারভেদে ৭০০ থেকে ৩ হাজার টাকা, রুই ও কাতল ৩৫০-৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৫০, খাসির মাংস ১০৫০-১১০০, দেশি মুরগি ৪৫০, আর ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিমের বাজারেও আগুন—দেশি ডিম হালি ৬৫-৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে ক্রেতা বিক্রেতাদের মাঝে দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া।

বাজার আসা ক্রেতা আলমাস  বলেন, আমাদের সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনের বাজার খরচ আগের চেয়ে দ্বিগুণ। পাইকারি আর খুচরার দামের ফারাকের বোঝা আমাদেরকেই বহন করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে এক সবজি বিক্রেতা হাদি  শেখ বলেন, আমরা জেনেশুনে দাম বাড়াচ্ছি না। পাইকারি আড়ৎ থেকে সবজি আনতেই বেশি দামে কিনতে হয়।

পরিবহন খরচও বেড়েছে।বাজার করতে আসো  রায়হান বলেন, নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে দাম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা যেত। ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর যদি সপ্তাহে অন্তত একবার বাজার মনিটর করে, তাহলে শীতের সবজির দাম অর্ধেক হয়ে যেত।

বাগেরহাটের ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সংরক্ষণ সহকারী পরিচালক শরিফা সুলতানা বলেন , আমরা নিয়মিত বাজার তদারকি করছি। তবে ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে দাম নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ