বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নতুন কুঁড়ি সিজন-২-এ নিবন্ধন ২১৮৬ প্রতিযোগী প্রধানমন্ত্রী আজ বাগেরহাটে আসছেন বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণীর কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে বই বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর বাগেরহাট সফর ঘিরে উপকূলবাসীর নানা উন্নয়নমূলক প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বাগেরহাটে বিএনপির আনন্দ মিছিল নামে-বেনামে বরাদ্দ নয়, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পিআইসি কমিটি; বাগেরহাটে জেলা পরিষদের শতাধিক প্রতিষ্ঠানে চেক বিতরণ বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর এসি প্রদান জনগণ গণভোটে হা-এর পক্ষে রায় দিয়েছে, বিএনপিকে এটা বাস্তবায়ন করতে হবে-ডা, শফিকুর রহমান ফকিরহাটে জমি দখল ও হামলার ঘটনায় অপরাধ ঢাকতে উল্টো মামলার শিকার পরিবার বঙ্গোপসাগরে ট্রলিং বন্ধের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন

বাগেরহাটে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে পৌরসভার সঙ্গে অ্যাডভোকেসি সভা

রিপোর্টার- / ৫০৭ পড়া হয়েছে
সময়- বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক,

বাগেরহাট পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও উন্নত ও আধুনিক করতে পৌর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে এক্টিভিস্টা বাংলাদেশ, গোল্ড এবং ক্লাইমেট অ্যান্ড ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (সিডো)-এর আয়োজনেই  আলোচনা সভা পৌরসভা অনুষ্ঠিত  হয়।

 

এসময়  উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুম, পুরসভা ইন্সপেক্টর  এম এস মাসুম,  Youth and Child Security Bangladesh-এর আঁখি আক্তার ও আকসা আক্তার, এক্টিভিস্টা বাগেরহাটের সদস্য সাজ্জাদুল ইসলাম রাকিব, অভিযান যুব সংগঠনের সভাপতি সুমিত ভট্টাচার্য ও সাধারণ সম্পাদক ছবিউল শেখ। এছাড়া Climate and Youth Organization (CYDO)-এর সভাপতি মোঃ মেহেদী হাসান, সহ-সভাপতি ফারিস্তা ইসলাম আয়শা, কোষাধ্যক্ষ খান আসাদুর রহমান, অমিত দাস শুভ্র, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সালেহ আহমেদ রাব্বি, নির্বাহী সদস্য অলিউল্লাহ, সুমাইয়া শারমিন প্রেমাসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উন্মুক্ত আলোচনায় বর্জ্য সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গ্লাভস, মাস্ক, গামবুট, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্বাস্থ্যবীমা এবং নতুন ও আধুনিক বর্জ্য বহনকারী গাড়ির দাবিসহ বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন অংশগ্রহণকারীরা।

 

পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুম বলেন, বাংলাদেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সুস্পষ্ট আইন না থাকায় অনেক ক্ষেত্রে সচেতনতার ওপর বেশি জোর দিতে হয়। আমরা জদি  বর্জ্য জমিয়ে রাখলে তা পাহাড়ে পরিণত হবে।বর্জ্য ফলের ৫ ভাবে রাখা হয়। বর্জ্য পৃথকীকরণ, পুনরায় ব্যবহার করুন,রিসাইকেল, কমানো, কম্পোস্টিং।  তাই কিছু বর্জ্য দিয়ে কম্পোস্ট সার তৈরি, কিছু পুনর্ব্যবহার এবং কিছু নষ্ট করাসহ আধুনিক ব্যবস্থাপনা জরুরি। যারা বর্জ্য নিয়ে কাজ করেন তারাও মানুষ তাদের সম্মান ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। খুব দ্রুত তাদের জন্য আধুনিক সুবিধা নিশ্চিত করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ