বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
বাগেরহাটে নতুন কুঁড়ি সিজন-২-এ নিবন্ধন ২১৮৬ প্রতিযোগী প্রধানমন্ত্রী আজ বাগেরহাটে আসছেন বেলায়েত হোসেন ডিগ্রি কলেজে একাদশ শ্রেণীর কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনা মূল্যে বই বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর বাগেরহাট সফর ঘিরে উপকূলবাসীর নানা উন্নয়নমূলক প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বাগেরহাটে বিএনপির আনন্দ মিছিল নামে-বেনামে বরাদ্দ নয়, স্বচ্ছতা নিশ্চিতে পিআইসি কমিটি; বাগেরহাটে জেলা পরিষদের শতাধিক প্রতিষ্ঠানে চেক বিতরণ বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর এসি প্রদান জনগণ গণভোটে হা-এর পক্ষে রায় দিয়েছে, বিএনপিকে এটা বাস্তবায়ন করতে হবে-ডা, শফিকুর রহমান ফকিরহাটে জমি দখল ও হামলার ঘটনায় অপরাধ ঢাকতে উল্টো মামলার শিকার পরিবার বঙ্গোপসাগরে ট্রলিং বন্ধের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন

দুর্যোগে প্রস্তুতির বার্তা ছড়িয়ে ঝলমলিয়ায় কোডেকের সাংস্কৃতিক প্রচারণা

রিপোর্টার- / ২৫০ পড়া হয়েছে
সময়- বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬

নিজেস্ব প্রতিবেদক,

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ঝলমলিয়া শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবেলায় সচেতনতা তৈরিতে ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারণা ও সাংস্কৃতিক প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার (কোডেক)। বুধবার (২০ মে )দিন ব্যাপি “দুর্যোগে নাই কোনো ভয়, যদি মোদের প্রস্তুতি রয়” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল সবচেয়ে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়। অনুষ্ঠানে দুর্যোগকালীন প্রস্তুতি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং ক্ষয়ক্ষতি কমানোর বিভিন্ন কৌশল নিয়ে বক্তব্য, নাটক, কুইজ প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। কোমলমতি শিশুরা নিজেদের পরিবেশনা ও বক্তব্যের মাধ্যমে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দেয় উপস্থিত সবার মাঝে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোডেকের চাইল্ড প্রটেকশন অফিসার পূর্ণিমা রায়। এছাড়াও স্থানীয় স্কুলের প্রধান শিক্ষকবৃন্দ, ইউপি সদস্য, সাংবাদিক, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

 

চাইল্ড প্রটেকশন অফিসার পূর্ণিমা রায় বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে শিশুদের জীবনে। তাই ছোটবেলা থেকেই তাদের দুর্যোগ সম্পর্কে সচেতন ও প্রস্তুত করে তুলতে হবে। শিশুদের অংশগ্রহণমূলক এমন আয়োজন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। তাই দুর্যোগের আগেই সচেতনতা ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে পারলে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ