মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মোংলায় ব্যবসায়ীকে উচ্ছেদ করে জমি দখলের অপচেষ্টা, নেপথ্যে প্রভাবশালী মহল বাগেরহাটে বিএনপির নারী নেত্রীদের অবমূল্যায়ন ও হাইব্রিড নেতাদের দৌরাত্ম্যের অভিযোগ বাগেরহাটে ঘের সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব : বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা, বিক্ষোভ   হাইকোর্টে তথ্য গোপনের অভিযোগ রামপাল বাইনতলা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মনিরা বেগম বরখাস্ত বাগেরহাটে যুবদল নেতা সুজন মোল্লার নামে অপপ্রচার,তদন্তে পুলিশ বাগেরহাটের শরনখোলায় দখলকৃত জমি উদ্ধার, মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগে : সংবাদ সম্মেলন  জমি বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের বাড়িতে হামলা,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্ত মূলক তথ্য -পুলিশ সুপার  বাগেরহাটে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অভ্যন্তরীন সিন্ডিকেট চক্রের প্রভাবে ভোগান্তি চরমে  বাগেরহাটে জুলাই সনদ ও গনভোটের রায় বাস্তবায়নে ১১ দলের বিক্ষোভ 

সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের দুটি রেঞ্জে বৈষম্য আইন  প্রত্যাহারের দাবিতে জেলেদের মানববন্ধন

রিপোর্টার- / ২৩২ পড়া হয়েছে
সময়- বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫

নিজেস্ব প্রতিবেদক, সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের দুটি রেঞ্জে বৈষম্য আইন প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে মৎস্যজীবী ও পেশাজীবীরা। বুধবার (১ অক্টোবর) বিকেলে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার শরনখোলা বাজারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করেন স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত ইসলামের  নেতৃবৃন্দ। মানববন্ধনে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার পাঁচ শতাধিক জেলে ও মৎস্যজীবীরা অংশ নেয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, শরনখোলা উপজেলার সাউথখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম লিটন,মৎস্য ব্যবসায়ী সেলিম  খান, ফরিদ খান, খলিলুর রহমান হাওলাদার,হালিম খান, জামায়ত  নেতা শহাজান হাওলাদার রফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, সুন্দরবন মায়ের মতন সুন্দরবনকে সুরক্ষার দেওয়ার দায়িত্ব উপকূলবাসীর। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার হাজার হাজার মানুষ বৈধ (অনুমতি) পাশ পারমিট নিয়ে মাছ, কাঁকড়া আহরন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সুন্দরবনকে ব্যবহার করে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। বন্যপ্রাণী নিধন করা হয়েছে যাক কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

তৎকালীন বনমন্ত্রী ছিলেন আওয়ামী লীগের তালুকদার হাবিবুন নাহার। তিনি সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের চাদপাই ও শরণখোলা রেঞ্জকে বৈষম্য করে তোলেন।

তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তার এলাকায় চাঁদপাই রেঞ্জের ৪৮ ভাগ ও পার্শ্ববর্তী রেঞ্জ শরনখোলাকে ৮৪ ভাগ অভায়ারণ্য ঘোষণা করে। এর ফলে শরণখোলা রেঞ্জের মৎস্যজীবী ও বনজীবীরা মাছ আহরনে নদী ও খালের জায়গা সংকটে পড়েন। যার ফলে শত শত জেলেরা মানবতার জীবন যাপন করেন।

জেলের আরো জানান, এই বৈষম্য দূর না করলে অবহেলিত শরণখোলা এলাকার হাজার হাজার জেলে পরিবার জীবীকা সংকটে পড়বে।একই বনে দুই ধরনের সিদ্ধান্ত ষড়যন্ত্রমূলক বলে উল্লেখ করেন ব্যবসায়ীরা। অবিলম্বে বৈষম্য দূর করার জন্য বনমন্ত্রণালয় ও সরকারের কাছে দাবি জানান বক্তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ