মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সরিয়ে নেওয়া হলো খানজাহান আলী মাজার দিঘির একমাত্র কুমির জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে বাগেরহাটে যুবদলের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল  বাগেরহাটে মাজারের দীঘিতে  কুমির টেনে নেওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তা আজও দেশের মানুষের কাছে প্রাসঙ্গিক – প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল ইসলাম নাহিয়ান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের  কুরবানির আনন্দ পৌঁছে গেল ৩০০ পরিবারের ঘরে দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযানে ভরসার নাম আব্দুল আলীম শেখ দুর্যোগে প্রস্তুতির বার্তা ছড়িয়ে ঝলমলিয়ায় কোডেকের সাংস্কৃতিক প্রচারণা কোডেক অগ্রযাত্রা প্রকল্পের ফ্রি গাইনি সেবা, চিকিৎসা পেলেন ৮৫ নারী রোগ বাগেরহাট সরকারী পিসি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলীর বিরুদ্বে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মহাসড়কে থ্রি হুইলার বন্ধের দাবি- খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের 

খাদ্য, নারী ও উন্নয়ন, এক মঞ্চে তিন দিবস উদযাপন

রিপোর্টার- / ৫৩১ পড়া হয়েছে
সময়- বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৫

নিজেস্ব প্রতিবেদক,

খাদ্য নিরাপত্তা, নারীর ক্ষমতায়ন আর দারিদ্র্যমুক্ত সমাজ এই তিন লক্ষ্যকে একসাথে ধরে  বাগেরহাটের রামপালে পালিত হলো বিশ্ব খাদ্য দিবস, আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস ও দারিদ্র্য বিমোচন দিবসে র‍্যালি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে । বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) উজলকুড় ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ইনিশিয়েটিভ ফর রাইট ভিউ (আইআরভি)-এর উদ্যোগে ও একশনএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উজলকুড় ইউনিয়নের প্রকল্পের শতাধিক নারী কৃষক অংশ নেন।

এসময়   উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মোঃ মহিদুর রহমান, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহিনুর রহমান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা সুজিৎ কুমার মুখার্জি, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিবেকানন্দ পাল, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য বিউটি পারভিন ও ফারুল বেগম।

দিনব্যাপী আয়োজনে নারী কৃষকেরা নিজের হাতে ফলানো সবজি, ঘরোয়া পিঠা, ফল ও হস্তশিল্প প্রদর্শন করেন। তাদের তৈরি পণ্য দেখতে ভিড় জমে দর্শকদের।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. মহিদুর রহমান বলেন, নারীরা এখন শুধু কৃষক নন, তারা আমাদের খাদ্য আন্দোলনের অগ্রদূত। তাদের পরিশ্রমেই দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্ত হচ্ছে।

উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. শাহিনুর রহমান বলেন, গ্রামীণ নারী মানে শুধু শ্রম নয়, সৃজনশীলতারও প্রতীক। তাদের উদ্যোগ ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়েই দারিদ্র্য বিমোচনের পথ তৈরি হচ্ছে।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা সুজিৎ কুমার মুখার্জি বলেন, খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি এখন সময় এসেছে খাদ্যের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার। এতে নারী কৃষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট ফার্মিং-মার্কেট অ্যাক্সেস প্রকল্পের সমন্বয়কারী সৌরভ ভদ্র বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে গ্রামীণ নারীর জীবনে। তাই তাদেরকে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে, যেন তারা নিজেদের ভাগ্য নিজেরাই গড়তে পারেন।

 

অনুষ্ঠানের শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে  পুরস্কার বিতরণ করা হয় এবং নারী কৃষকদের হাতে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ