সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মা-বোনদের হেনস্থা করার মত আচরণ করলে, ছাড় দেওয়া হবে না-জামায়াত প্রার্থী রাহাদ জয়ী হলে শান্তির জনপদ হবে রামপাল-জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল ওয়াদুদ যারা অন্যায়ভাবে মানুষের সম্পদ দখল করবে বা মামলা বাণিজ্য করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে–এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল বাগেরহাটে হাতপাখা প্রতিকের মিছিল ও সমাবেশ সারাদেশে নারীদের হেনস্তার প্রতিবাদে বাগেরহাটে বিক্ষোভ মিছিল সুন্দরবন ডাকাতমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি বাগেরহাট–৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী সোমনাথ দের ঐক্যবদ্ধ হলে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা সম্ভব–সোমনাথ দে সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ ফাদার রিগনের কাছে ঋনী শরণখোলায় নবনির্মিত মসজিদের রড-সিমেন্ট চুরি, গভীর রাতে ভরাট বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে চতুর্থ দিনের মত কর্মবিরতি অব্যাহত

বাগেরহাটে উঠান বৈঠক, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে ‘আলো ছড়াক শিক্ষা’

রিপোর্টার- / ৩১০ পড়া হয়েছে
সময়- রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫

নিজেস্ব প্রতিবেদক ,  “শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে”—এই স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধে বাগেরহাটে অনুষ্ঠিত হলো এক বিশেষ উঠান বৈঠক। শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণে এই বৈঠকে শিক্ষার গুরুত্ব ও বাল্যবিবাহ রোধে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার আল ইসলাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ‘আলো ছড়াক শিক্ষা’ শীর্ষক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। “ঝরে পড়া কমাই, শিক্ষার আলো বাড়াই” ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সমাজকর্মীসহ মোট ৪৫ জন অংশগ্রহণকারী।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি বলেন, “শিক্ষার্থীদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষক ও অভিভাবকদের একসাথে কাজ করতে হবে বাল্যবিবাহ রোধে। কারণ এই একটি কারণেই অনেক মেয়ে পড়াশোনা শেষ করতে পারে না।

ফোরামের পরিচিতি পর্বে ইয়ুথ ফর পলিসি (YfP) বাগেরহাট কমিটির টিম লিড ফারদিন সানি বলেন, “YfP তরুণদের নীতি নির্ধারণে অংশ নিতে উৎসাহিত করে। আমরা বাগেরহাটে শিক্ষা, লিঙ্গসমতা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সামাজিক জবাবদিহিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করছি।

আলোচনায় বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া রোধে পরিবার, বিদ্যালয় ও সমাজের সমন্বিত ভূমিকা অপরিহার্য। শুধু শিক্ষক নয়, অভিভাবককেও সন্তানদের পাশে থাকতে হবে—তাদের পড়াশোনায় আগ্রহ জাগাতে হবে।

শিক্ষার্থী রাবেয়া বৈঠকে নিজের অভিমত তুলে ধরে বলেন, ১৮ বছরের আগে মেয়েদের বিয়ে না দিলে তারা পড়াশোনা শেষ করতে পারে, নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এবং সমাজের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

বক্তারা আরও বলেন, অল্প বয়সে বিয়ে হলে শিক্ষাজীবন থেমে যায় এবং মা ও শিশুর জীবনে ঝুঁকি তৈরি হয়। তাই পরিবার থেকেই সচেতনতা তৈরি করতে হবে যাতে কোনো মেয়ে তার স্বপ্ন থেকে বঞ্চিত না হয়।

বৈঠক শেষে অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে শিক্ষার আলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হলে সবাইকে মিলে কাজ করতে হবে তবেই কমবে ঝরে পড়া, এগিয়ে যাবে বাগেরহাটের শিক্ষা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ